পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক হামলার হুমকির মধ্যে দেশটির সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নিতে কূটনীতিকদের নির্দেশ দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স দেয়া এক বার্তায় পেজেশকিয়ান বলেন, ‘ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক আলোচনার’ লক্ষ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
ইরানের প্রেসিডেন্টের এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে তুরস্কসহ কয়েকটি দেশের মধ্যস্থতায় সম্ভাব্য আলোচনায় অংশ নিতে ইরানের প্রস্তুতির বিষয়টি আরও স্পষ্ট হলো। ওয়াশিংটনের সঙ্গে উত্তেজনা প্রশমনে আঞ্চলিক এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে তেহরান।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন—ইরান পারমাণবিক চুক্তিতে রাজি না হলে কিংবা অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভ দমনে সহিংসতা বন্ধ না করলে সামরিক পদক্ষেপ নেয়া হতে পারে।
তবে গত কয়েকদিন ওয়াশিংটন ও তেহরানের নেতাদের মন্ত্যবে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে, পর্দার আড়ালে কূটনৈতিক যোগাযোগ এগোচ্ছে।
মাসুদ পেজেশকিয়ান এক্স পোস্টে লেখেন,
আমার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছি—যদি হুমকি ও অযৌক্তিক প্রত্যাশাহীন একটি উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়—তাহলে সম্মান, প্রজ্ঞা ও বাস্তবতার আলোকে ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক আলোচনার উদ্যোগ নিতে।
সোমবার তেহরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা কমাতে কাতার, তুরস্ক, মিশর ও ওমানসহ আঞ্চলিক কয়েকটি দেশের প্রস্তাবিত কূটনৈতিক উদ্যোগ পর্যালোচনা করছে তারা। একইসঙ্গে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আলোচনার একটি কাঠামো চূড়ান্ত হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করে ইরান।
একই দিন বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, আগামী শুক্রবার (৬ ফেবুয়ারি) ইস্তাম্বুলে সম্ভাব্য আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে পারে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি অংশ নিতে পারেন। যদিও সংবাদমাধ্যমের এসব প্রতিবেদনের বিষয়ে তেহরান কিংবা ওয়াশিংটন এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।


