পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : রাত ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে ঘুমিয়ে পড়লে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমবে।
সম্প্রতি প্রায় ৮৮ হাজারেরও বেশি অংশগ্রহণকারীদের ওপর গবেষণা চালিয়ে এ ফল প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্যের একটি গবেষক দল।
গবেষণার তথ্য থেকে জানা যায়, রাত ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে যারা ঘুমান তাদের তুলনায় ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে ঘুমানো ব্যক্তিদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ১২% বেশি।
তবে, দ্রুত কিংবা দেরিতে ঘুমাতে যাওয়া সঙ্গে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সরাসরি কোনো প্রভাব রয়েছে কিনা তা নিয়ে গবেষণায় কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ছাড়াও, ঘুমের গুণগত মান কিংবা কতক্ষণ ঘুমাচ্ছেন তা নিয়েও গবেষণায় কিছু বলা হয়নি।
ইউনিভার্সিটি অব এক্সিটারের হিউমা থেরাপিউটিকসের রিসার্চ প্রধান লেকচারার ড. ডেভিড প্ল্যানস বলেন, “মূলত সূর্যের আলোর সংস্পর্শে আসার মতো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের কারণে দেরিতে কিংবা আগে ঘুমাতে যাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যক্তিবিশেষে কিছু পার্থক্য দেখা যেতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, “সূর্যের আলো মানুষের দেহে “সার্কাডিয়ান ক্লক” কিংবা জৈবিক ঘড়ি নির্ধারণ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যদি শরীরের এ ঘড়ি দীর্ঘদিন পর্যন্ত ঠিক না থাকলে তবে দেহের আচরণগত অসামঞ্জস্যতা তৈরি হয়। যার ফলে, দেহে প্রদাহ সৃষ্টি হয় এমনকি শরীরে গ্লুকোজ তৈরিতেও ব্যাঘাত ঘটে। এ দুইটি বিষয়ই মূলত হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।”
অনেকেরেই ধারণা, মানসিক অবস্থা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে, “সার্কাডিয়ান রিদমে” ব্যাঘাত ঘটার ফলে আচরণগত পরিবর্তনের প্রভাব হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তোলে, বলেও জানান ড. ডেভিড প্ল্যানস।


