পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : রাশিয়ার কুরস্কে ইউক্রেনীয় বাহিনীর অগগ্রতি অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) রাতের নিয়মিত ভিডিও বার্তায় ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এমন দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, যুদ্ধ শুরুর পর রুশ ভূখণ্ডে ইউক্রেনের সবচেয়ে বড় হামলায় কুরস্ক অঞ্চলে ৭৪টি বসতির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে সেনাবাহিনী। আরও বসতির নিয়ন্ত্রণ নিতে যুদ্ধক্ষেত্রে অগ্রসর হচ্ছে সেনারা। ইউক্রেনের দাবি, গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার এক থেকে তিন কিলোমিটার এলাকা দখলে নিয়েছে তারা। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর জানিয়েছে।
গত সপ্তাহে রাশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় কুরস্ক অঞ্চলে হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করে মস্কোকে অনেকটাই ঘায়েল করে দিয়েছে ইউক্রেন। ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ শুরুর পর রুশ ভূখণ্ডে এটি ইউক্রেনের সবচেয়ে অর্জন।
প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেছেন, সেনাবাহিনী বেশ কয়েকজন রুশ যুদ্ধবন্দিদের আটক করেছে। তাদের বিনিময়ের মাধ্যমে বন্দি ইউক্রেনীয় যোদ্ধাদের মুক্ত করা যেতে পারে। একে একটি সম্প্রসারিত ‘বিনিময় তহবিল’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন তিনি।
জেলেনস্কি বলেন, ‘কঠিন ও তীব্র যুদ্ধ সত্ত্বেও আমাদের বাহিনী কুরস্ক অঞ্চলে অগ্রসর হচ্ছে এবং আমাদের রাষ্ট্রের ‘বিনিময় তহবিল’ বাড়ছে। ৭৪টি বসতি ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’
অবশ্য রুশ সামরিক কমান্ডার মেজর জেনারেল অ্যাপটি আলাউদিনভ বলেছেন, শত্রুর অগ্রগতি ইতোমধ্যে থামিয়ে দেওয়া হয়েছে। শত্রু এখন জানে যে তাদের পরিকল্পনা সফল হয়নি।
এদিকে, রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, সীমান্ত থেকে প্রায় ২৬ থেকে ২৮ কিলোমিটার (১৬ থেকে ১৭ মাইল) দূরবর্তী গ্রামে ইউক্রেনীয় হামলা প্রতিহত করা হয়েছে।


