রুপা হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ ৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ

রুপা হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ ৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসে কলেজ ছাত্রী জাকিয়া সুলতানা রুপাকে গণধর্ষণ ও হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মধুপুরের অরণখোলা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ কাইয়ুম সিদ্দিকী খান এবং ছোয়া পরিবহনের মালিকের আমেনা খাতুনের স্বামী আক্তারুজ্জামান ও তার ছেলে সাব্বির হোসেন আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। গত রোববার দুপুরে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের ভারপ্রাপ্ত বিচারক এবং অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক আবুল মনসুর মিয়া সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট নাছিমুল আক্তার নাছিম জানান, রুপা হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কাইয়ুম সিদ্দিকী খান এবং ময়মনসিংহ-বগুড়া সড়কের ছোঁয়া পরিবহনের মালিকের স্বামী আক্তারুজ্জামান ও তার ছেলে সাব্বির হোসেন আদালতে প্রথমে সাক্ষ্য প্রদান করেন। পরে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের জেরা করেন। তবে   আংশিক জেরা করা হয়। জেরা শেষ করার জন্য আগামী মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন আদালত।

উল্লেখ্য, গত ২৫ আগস্ট বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে রুপাকে চলন্ত বাসে ধর্ষণ করে পরিবহন শ্রমিকরা। বাসেই তাকে হত্যার পর মধুপুর উপজেলায় পঁচিশ মাইল এলাকায় বনের মধ্যে মরদেহ ফেলে রেখে যায়। এলাকাবাসীর কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ওই রাতেই অজ্ঞাত পরিচয় মহিলা হিসেবে তার মরদেহ উদ্ধার করে। পরদিন ময়নাতদন্ত শেষে রূপার মরদেহ বেওয়ারিশ হিসেবে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে মধুপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। পরে ময়মনসিংহ-বগুড়া সড়কের ছোঁয়া পরিবহনের হেলপার শামীম, আকরাম ও জাহাঙ্গীর এবং চালক হাবিবুর ও সুপারভাইজার সফর আলীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারা প্রত্যেকেই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *