রেলওয়ের কেনাকাটা নিয়ে সংসদীয় কমিটির ক্ষোভ

রেলওয়ের কেনাকাটা নিয়ে সংসদীয় কমিটির ক্ষোভ

নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের সুপারিশ

রেলওয়ের কেনাকাটা নিয়ে সংসদীয় কমিটির ক্ষোভ

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : রেলওয়ের সীমিত ঠিকাদারদের মধ্যে দরপত্রের মাধ্যমে কেনাকাটা (এলটিএম) নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সংসদীয় কমিটি। রেলের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে একটি উপকমিটি গঠন করেছে সংসদীয় কমিটি।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ কমিটি গঠন করা হয়।
বৈঠক সূত্র জানায়, বৈঠকে একজন সদস্য বলেন, এলটিএম পদ্ধতিতে কেনাকাটায় একটি চক্র সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করছে বলে তাদের কাছে তথ্য এসেছে। ৩৮টি লাইসেন্সধারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এই কাজ করছে। নামে ৩৮টি প্রতিষ্ঠান হলেও প্রকৃতপক্ষে ৫ থেকে ৭ জনই এসব প্রতিষ্ঠানের মালিক। তাদের নিকটাত্মীয়দের নামে লাইসেন্স করা হয়েছে।

আরেক সদস্য বৈঠকে বলেন, আফসার বিশ্বাস নামে একজন ঠিকাদার সেখানে সব নিয়ন্ত্রণ করেন। তাকে অনেকে রেলওয়ের জি কে শামীম হিসেবে ডেকে থাকেন। এ ছাড়া রেলওয়ের স্ক্র্যাপ নিলামের ক্ষেত্রেও অনেক অনিয়ম হচ্ছে বলে অভিযোগ আছে। এসব খতিয়ে দেখতে একটি কমিটি গঠন করা হয়।

সংসদ সচিবালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে ক্রয় নীতিমালা সঠিকভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কিনা ও টেন্ডার প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে একটি উপকমিটি গঠন করা হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ রেলওয়ের ক্রয় পদ্ধতি, রেলওয়ের দুইটি জোনকে চারটি জোনে রূপান্তর, চট্টগ্রামে রেলওয়ের জমিতে পেট্রোল পাম্প ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার জন্য লিজ দেওয়া নিয়েও আলোচনা হয়।

কমিটির সভাপতি এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে কমিটির সদস্য রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম, আসাদুজ্জামান নূর, শফিকুল ইসলাম, শফিকুল আজম খান, সাইফুজ্জামান, গাজী মোহাম্মদ শাহ নওয়াজ ও বেগম নাদিরা ইয়াসমিন বৈঠকে অংশ নেন।

এদিকে বাংলাদেশ রেলওয়ের জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। এছাড়া ক্রয় নীতিমালা সঠিকভাবে অনুসরণ ও টেন্ডার প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি খতিয়ে দেখার জন্য সাব-কমিটি গঠন করেছে সংসদীয় কমিটি।
মঙ্গলবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ১২তম বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।

কমিটির সভাপতি এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকে অংশ নেন কমিটির সদস্য রেলমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন, আসাদুজ্জামান নূর, শফিকুল ইসলাম শিমুল, মো. শফিকুল আজম খান, মো. সাইফুজ্জামান, গাজী মোহাম্মদ শাহ নওয়াজ ও বেগম নাদিরা ইয়াসমিন জলি।

বৈঠকে রেলওয়ের ক্রয় পদ্ধতি, রেলওয়ের দুটি জোনকে চারটি জোনে রূপান্তর করার সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া চট্টগ্রামে বাংলাদেশ রেলওয়ের জমিতে পেট্রল পাম্প স্থাপনের জন্য লিজ প্রণয়ন, চট্টগ্রামে বাংলাদেশ রেলওয়ের জমিতে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার জন্য লিজ প্রদানের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে আলোচনা হয়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *