শান্তির দেশে অশান্তি সৃষ্টি করতে চায় বিএনপি : কাদের

শান্তির দেশে অশান্তি সৃষ্টি করতে চায় বিএনপি : কাদের

পাথেয় রিপোর্ট : বিএনপি শান্তির দেশে অশান্তি সৃষ্টি করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট) আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, বিএনপি আবারও ক্ষমতায় আসলে সন্ত্রাসের জনপদ হবে। শান্তির এলাকায় অশান্তি বিরাজ করবে।

প্রতীক বরাদ্দের পাওয়ার পর ১০ ডিসেম্বর সোমবার রাতে নিজ নির্বাচনী এলাকা কোম্পানীগঞ্জের মুজিব কলেজ মাঠে বিশাল এক পথসভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ক্ষমতায় থাকাকালীন এমন কোনো কাজ করেনি যা নিয়ে তিনি ভোটারদের সামনে গিয়ে আবারও ভোট চাইবেন। আমার আমলে গ্রামের মানুষ শতভাগ বিদ্যুৎ পেয়েছে। এলাকার অনেক অবকাঠামোর উন্নয়ন হয়েছে। বিএনপির আমলে আমার এলাকার নেতাকর্মীরা বাড়িতে ঘুমাতে পারেনি। মা-বাবাসহ আত্মীয়-স্বজনের জানাজায় অংশ নিতে পারেনি। নিলেও জানাজা থেকে আসার পর তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। ভোট কেন্দ্রে আমার স্ত্রীকে ভোটও দিতে দেয়নি বিএনপির সন্ত্রাসীরা। এমনকি আমার সদ্য প্রয়াত মা রিকশাযোগে ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার সময় তাকে ভোট কেন্দ্র থেকে নামিয়ে দেয়া হয়েছিল।

ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের আমলে এলাকার নারীসহ বিভিন্ন মানুষ ভাতা পাচ্ছে। তথ্য-প্রযুক্তি হাতের মুঠোয়। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট এখন বাংলাদেশের। এর সুবিধা নিতে শুরু করেছে সবাই। তিনি বলেন, আমি আবারও যদি নির্বাচিত হই তাহলে অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করব।

এদিকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের অভিযোগ করেছেন, লন্ডনে পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামি তারেক রহমান পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এবং দেশে মির্জা ফখরুল পাকিস্তানি দূতাবাসে গিয়ে গোপন বৈঠক করে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামির নেতৃত্বে যে দল, ঐক্যফ্রন্ট চলছে, তাদের পক্ষে বাংলাদেশের জনগণ আজ নেই। জনগণ সাড়া দিচ্ছে না বলেই তারা ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি বিদেশিদের কাছে শুধু নালিশ দিচ্ছে না, সর্বশেষ খবর, লন্ডনে বসে তারেক রহমান পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের সঙ্গে বৈঠক করছে। এই বৈঠকগুলো কেন? ঢাকায় মির্জা ফখরুল পাকিস্তানি দূতাবাসে গিয়ে গোপন বৈঠক করছে। এই বৈঠকের অর্থ কী? এই বৈঠকের অর্থ হচ্ছে নির্বাচন বানচাল করা। সেই ষড়যন্ত্র তারা করছে।

ওবায়দুল কাদের জানতে চান, পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা এখানে নির্বাচনে কী করবে? তাদের কী করণীয় আছে? আমার দেশের ভোট দেবে আমার দেশের জনগণ। সেখানে পাকিস্তানের কী করার আছে? পাকিস্তানের সঙ্গে তাহলে বৈঠক কেন? আরও গোয়েন্দা সংস্থা। তিনি বলেন, তাঁরা যা আজকে করছেন, তাঁরা যদি মনে করেন, ২০০১ সাল আবারও ফিরে আসবে, ২০১৪ সালের আবারও তাঁরা পুনরাবৃত্তি ঘটাবেন, তাঁরা বোকার স্বর্গে আছেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *