স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যাচ্ছেন আল্লামা মাসঊদের ইসলাহী ইজতেমায়
পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম :: মানুষের হৃদয়কে ঈমানের স্বাদে তৃপ্তিময় করে দিতে প্রতি বছরের মতো এবারও শুরু হয়েছে বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামা ও বেফাকুল মাদারিসিদ্দীনিয়া বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান, আওলাদে রাসূল হজরত আসাদ মাদানি (রহ.)-এর খলিফা আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদের আহ্বানে কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে ইসলাহী ইজতেমা। কিছুক্ষণ পরই হবে আখেরী মোনাজাত। এতে অংশগ্রহণ করার জন্য সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে পৌঁছাবেন বলে জানা গেছে।
তিনদিনব্যাপী ইজতেমার বিভিন্ন পর্বে ইসলাহী বয়ান, আম বয়ান, বিশেষ বয়ান, কোরআন তালিম ও তেলাওয়াত, জিকির ও দরূদের আমলসহ ধারাবাহিক আত্মোন্নয়নমূলক বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন সমবেত মুসল্লিরা।
জানা গেছে, এবার শুরু হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০ শুক্রবার আওলাদে রাসূল মুফতী আফ্ফান মনসুরপুরীর বয়ানের মাধ্যমে। ইতোমধ্যেই ইসলাহী ইজতেমার দুই দিন অতিবাহিত হয়েছে। আজ রোববার আখেরী মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।
এবারের ইসলাহী ইজতেমা আন্তর্জাতিক-আলমি ইজতেমায় রূপ নেয় বলে জানিয়েছে ইজতেমা কর্তৃপক্ষ। পবিত্র জুমার বয়ান ও নামাজ পড়িয়েছেন ভারতের জমিয়তে উলামা হিন্দের জাদরেল নেতা, ভারতের প্রাচীন মাদ্রাসা ‘আমরুহা মাদ্রাসার’ সদরুল মুদাররিস ও মুহাদ্দিস মাওলানা কারী মাওলানা আফ্ফান মনসুরপুরী।
মানুষকে আল্লাহর পথে আসার আহবান ও মানুষের মনে আল্লাহতায়ালার ভালোবাসার উন্মেষ ঘটানোর উপায় এবং মানুষের নৈতিক উন্নয়নের দাওয়াত নিয়ে বৃহস্পতিবার থেকেই তাড়াইলের বেলঙ্কায় আওলাদে রাসূল হজরত আসাআদ মাদানি (রহ.)-এর খলিফা আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ অবস্থান গ্রহণ করেন শুরুর দিন থেকেই।
এছাড়াও এবারের ইসলাহী ইজতেমায় লন্ডনের মেহমান কাসেম নানুতাবী রহ.-এর বংশধর ইকরা টিভি ও আল খায়ের ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মাওলানা ইমাম কাসেম রশিদ আহম্মদ বয়ান পেশ করেছেন শনিবার রাতে। সাইয়্যিদ আসআদ মাদানী রহ.-এর সাহেবজাদা মাওলানা সাইয়্যিদ মওদুদ মাদানীও বয়ান করেন।
প্রসঙ্গত, প্রতিবছরই শীতের সৃজনে কিশোরগঞ্জের তাড়াইলের বেলঙ্কা জামিয়াতুল ইসলাহ ময়দানে বেফাকুল মাদারিসিদ্দীনিয়া বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান, আওলাদে রাসূল হজরত আসাদ মাদানি (রহ.)-এর খলিফা আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদের আহ্বানে মানুষের আধ্যাত্মিক পরিবর্তনের প্রত্যাশায় ভাটির মানুষের দ্বীনী উন্নয়নে ইসলাহী মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ইতোমধ্যেই ব্যাপক সাড়া পড়েছে এই ইজতেমার। এখানে বিশেষ ব্যবস্থায় নারীদের জন্যও আলাদা একবার আলোচনা শোনার সুযোগ আছে। এ ছাড়া শিক্ষার্থী, শিক্ষক, যুবক-তরুণদের জন্যও আলাদা আলাদা বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিদিনই বাইয়াতেরও সুযোগ থাকে। প্রতিবছরই কেউ না কেউ হযরতের খেলাফত লাভেও ধন্য হন।


