পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : স্বল্প সময়ের মধ্যে চালের বাজার মূল্য স্বাভাবিক রাখতে চাল আমদানির উপর গুরুত্ব আরোপ করেন সরকার। ফলে ১০ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন নন-বাসমতি চাল আমদানির অনুমতি পায় আমদানিকারকেরা। প্রচুর চাল আমদানি করায় বন্দরের পাইকারি বাজারে কেজিতে ৩/৪ টাকা কমে গেলেও পরে তা স্থিতিশীল হয়ে আসে।
শতকরা ২৫ শতাংশ শুল্ক কর দিয়ে সরকারের শর্তাবলি মেনেই ৩৭০ থেকে ৪২৫ ডলারের মধ্যে প্রতি মেট্রিক টন চাল আমদানি করছে আমদানিকারকেরা।
এদিকে লকডাউনের কারণে গেলো কয়েকদিন থেকে কেজি প্রতি ৩ থেকে ৪ টাকা বেড়ে গেছে চালের দাম। সরকার আর নতুন করে চালের আমদানির অনুমতি না দেওয়ায় চালের আমদানি কমে গেছে। অল্প দিনেই চাল আমদানি বন্ধ হয়ে যাবে বলছেন হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানি কারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদ হারুন।
হিলি পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেড এর গণসংযোগ কর্মকর্তা সওরাব হোসেন মল্লিক প্রতাপ জানান, চাল আমদানি অনেকাংশে কমেছে। তিনি আমদানিকারকদের বরাত দিয়ে আরো জানান, সরকার থেকে যতটুকু চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে তার অতিরিক্ত আর নতুন করে হয়তোবা আর অনুমতি আসছে না।
হিলি কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, গত ৯ জানুয়ারি থেকে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত এক লাখ ৪৫ হাজার ৬৩৫ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে। আর এর বিপরীতে রাজস্ব এসেছে ১২৯ কোটি ১৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। অন্যদিকে সরকার শতকরা ২৮ থেকে ৬০ শতাংশ চালের শুল্ক হার বৃদ্ধি করায় গত ২০১৯ সালের মার্চ মাস থেকে চাল আমদানি বন্ধ হয়ে যায়।


