নিজস্ব প্রতিবেদক ● দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, অবাধ তথ্য প্রবাহের লক্ষ্যে বর্তমান সরকার রাষ্ট্রসহ সমাজের প্রতিটি বিষয়ই উন্মুক্ত করে দিয়েছে। তিনি বলেন, বিশ্বায়ন এবং তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে কোনো কিছুই গোপন করার সুযোগ নেই।
দুদক চেয়ারম্যান রবিবার বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল মিলনায়তনে “দুর্নীতি ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা” শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
সেমিনারে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মোহাম্মদ মমতাজ উদ্দীন আহমেদ সভাপতিত্ব করেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট সাংবাদিক এবং বিএফইউজে’র সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল।
সেমিনারে আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন দৈনিক ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত। অন্যান্যের মধ্যে ইংরেজি দৈনিক দি নিউএজ এর স্টাফ রিপোর্টার আহমদ ফয়েজ ও ইন্ডিপেন্ডেট টেলিভিশনের রিশাদ হুদা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
ইকবাল মাহমুদ বলেন , দুর্নীতি নিয়ে সাংবাদিকদের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন দুর্নীতি প্রতিরোধে খুবই কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। তবে প্রতিবেদন হতে হবে বস্তনিষ্ঠ, নির্মোহ এবং তথ্যবহুল।
অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রস্তুত কিংবা প্রচার বা প্রকাশ করা ঝুঁকিপূর্ণ একথা সত্য উল্লেখ করে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ধারণার ওপর ভিত্তি করে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারে না কমিশন। প্রতিটি অভিযোগ কমিশনকে আদালতে প্রমাণ করতে হবে।
তিনি বলেন, সাংবাদিকদের দীপ্ত পদচারণায় দুর্নীতিপরায়নরা সব সময় ভীত থাকে। দুর্নীতি পরায়নরা নৈতিকভাবে দুর্বল । তাই সাংবাদিকদের নৈতিক মূল্যবোধ যত উন্নত হবে দুর্নীতিপরায়নরা ততই অবনমিত হবে।
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, আমি আশাবাদী। হতাশ হওয়ার কিছু নেই,আমার বিশ্বাস দেশের দুর্নীতি কমবেই। তবে দুদকের একার পক্ষে একাজ সম্ভব নয়। প্রয়োজন সম্মিলিত প্রয়াস। তিনি বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের কার্যক্রমে যদি কোনো ত্রুটি থাকে, তাহলে সাংবাদিকরা নিঃসংকোচে লিখতে পারবেন। দুর্নীতি দমন কমিশন কোনো মরুদ্যান নয়।


