চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে অসহনীয় গরমে দুই দিনে পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। বর্ষার সময় হলেও দেখা মেলে না বৃষ্টির। এর ফলে প্রচণ্ড গরমে অসহনীয় হয়ে পড়েছে জনজীবন।
নিহতরা হলেন- শিবগঞ্জ পৌর এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মর্দানা গ্রামের খুদু মণ্ডলের ছেলে মাছ ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম (৩৯), ছত্রাজিতপুর ইউনিয়নের যুক্তরাধাকান্তপুরের জামাল উদ্দিন (৫১), পাঁকা ইউনিয়নের চরলক্ষিপুরের আফসার আলীর ছেলে আবদুল মালেক (৪১), মোবারকপুর ইউনিয়নের ত্রিমোহনী বাজারের শামশুল হক (৬৯) ও উজিরপুর ইউনিয়নের নামোটোলার লোকমানের ছেলে ইফসুফ আলী (৪০)।
জানা গেছে, শনিবার মোবারকপুর ইউনিয়নে অগ্রণী ব্যাংক শাখায় বয়স্ক ভাতার টাকা উত্তোলনের জন্য ওই ইউনিয়নের বয়স্করা ব্যাংকের নিচে লাইনে দাঁড়ায়। এক পর্যায়ে রোদের তাপ বৃদ্ধি ও অসহনীয় গরমের ফলে ত্রিমোহনীর বাজারের শামশুল হক লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায়ই মেঝেতে পড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন মোবারকপুর ইউপি চেয়ারম্যান তৌহিদুর রহমান মিঞা।
এদিকে একইদিন বিকেলে তর্তিপুর পশুর হাট থেকে কোরবানির গরু কিনে বাড়ি নিয়ে যাবার পর হিট স্ট্রোকে মারা যান উজিরপুর ইউনিয়নের নামোটোলা গ্রামের ইফসুফ আলী। তার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তাপদাহ ও গরমের কারণে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান তিনি। এর আগে সকালে মাছ বিক্রি করে বাড়ি ফেরার পথে প্রচণ্ড গরমে মারা যান পৌর এলাকার মর্দানা গ্রামের শরিফুল ইসলাম। এলাকাবাসী সূত্রে এ বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এ ছাড়াও গতকাল দিবাগত রাতে প্রচণ্ড গরমে পাঁকা ইউনিয়নের অসুস্থ আবদুল মালেক মারা যান বলে নিশ্চিত করেছেন পাঁকা ইউপি চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান। তা ছাড়াও আজ রবিবার সকাল সোয়া ৮টার দিকে হিট স্ট্রোকে মৃত্যুবরণ করেন যুক্তরাধাকান্তপুরের জামাল উদ্দিন।
এদিকে বিদ্যুৎ গ্রাহকরা জানান, যখন প্রচণ্ড গরম ঠিক সেই সময় বিদ্যুৎ বিভাগের ঘন ঘন লোড শেডিংয়ের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত এক মাস যাবত রেকর্ড পরিমাণ বৃস্টিপাত না হলেও রবিবার দুপুরে দুই মিনিটের সামান্য বৃষ্টি হয়।


