পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : যে লোক (জিয়াউর রহমান) রাজনীতিকে গ্রামে নিয়ে গেছেন, যে মানুষটি মিশে ছিলেন কাদা মাটি ও পলিমাটির মধ্যে। নদীর উত্তাল ঢেউয়ের মধ্যে যার নাম মিশে আছে, মিশে আছে জনগণের মনে, সেই নাম কোনোদিনও মুছে ফেলা যাবে না বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আলজাজিরার রিপোর্ট ড্যামেজ কন্ট্রোলের জন্য জিয়াউর রহমানের খেতাব কেড়ে নিচ্ছেন? এটা তো কোটি কোটি মানুষ দেখে ফেলেছে। জিয়াউর রহমানের খেতাব কেড়ে নিয়ে আপনি ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে পারবেন না ওবায়দুল কাদের সাহেব।
শনিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি)) শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বীর উত্তম খেতাব প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিএনপির পূর্বঘোষিত প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে একজন কবিয়াল আছে। আপনারা কি চেনেন? তার বাড়ি হচ্ছে নোয়াখালী। তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেন। তার নাম হচ্ছে ওবায়দুল কাদের। তিনি কবিতার আকারে কথা বলেন, তিনি গতকাল বলেছেন আলজাজিরার পেছনে কারা কারা আছে আমরা সেটা খুঁজে পেয়েছি। আমি আগেই বলেছি, আওয়ামী লীগের ক্যারেক্টার টাই হচ্ছে সন্ত্রাসীদের মতো, মাফিয়াদের মতো।
তিনি বলেন, আজ থেকে আড়াই হাজার বছর আগে গ্রিক দার্শনিক প্লেটো তিনি বলেছিলেন, ত্রুটিপূর্ণ শিক্ষাই অপরাধের অন্যতম কারণ। এই আওয়ামী লীগ এমন একটি সংগঠন; এদের প্রত্যেকেরই ত্রুটিপূর্ণ শিক্ষা। আপনারা সবাই দেখছেন না এখন জিপিএ ফাইভ এর ছড়াছড়ি, আর ১৯৭২ সারে ছিল নকলের ছড়াছড়ি এইবার হলো অটো পাসের ছড়াছড়ি। এই কারণেই সমাজ এবং রাষ্ট্রে অপরাধ বাড়ছে। আর আওয়ামী লীগে ভিতরে সবচেয়ে বেশি অপরাধ।
প্রতিবাদ সমাবেশে প্রতিবাদ সমাবশে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আব্দুস সালাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূইয়া জুয়েল, কৃষকদলের সদস্য সচিব কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান আমিন, যুবদল মহানগর দক্ষিণের সভাপতি রফিকুল আলম মজনু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

/এএ


