৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ , ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ , ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি

আটার দাম আবারও বাড়ল

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের সঙ্গে রাজধানীতে আবারও বেড়েছে আটার দাম।

দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে সরবরাহ ঘাটতিকে দায়ী করেছেন ব্যবসায়ীরা।

বিভিন্ন কাঁচা বাজার ঘুরে দেখা যায়, গমের আটার দাম কেজি প্রতি সর্বকালের সর্বোচ্চ ৮০-৮২ টাকা ছুঁয়েছে। প্যাকেটজাত আটা (ময়দা) খুচরা ৭৮-৮২ টাকা কেজি, প্যাকেটজাত ময়দা ৭৪-৭৫ টাকা কেজি, প্যাকেটজাত আটা ৬৬-৭০ টাকা ও সাধারণ আটা ৬২-৬৪ টাকা কেজি।

ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) অনুসারে দাম এক সপ্তাহে ৫-৭%, এক মাসে ১০-১২% ও এক বছরে ৬১-৮০% বৃদ্ধি পেয়েছে।

ময়দা ছাড়াও, মসুর ডাল ও ভোজ্যতেলের দামও সাত দিনের মধ্যে আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রতি কেজি চিনি ১১৫ থেকে ১২০ টাকায় এবং আয়োডিনযুক্ত লবণ ৩৮ থেকে ৪২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে বিশেষ করে আটলান্টিকের উভয় তীরে গমের দাম স্থিতিশীল থাকা সত্ত্বেও ও ইউক্রেন কৃষ্ণ সাগর বন্দর দিয়ে পণ্য রপ্তানি শুরু করার পর গত কয়েক মাসে, স্থানীয় বাজারে গত সপ্তাহে প্রয়োজনীয় খাদ্যশস্যের দাম বেড়েছে।

একজন আমদানিকারক বলেছেন, যদিও বিশ্বব্যাপী গমের দাম ৩২০-৩৫০ ডলার প্রতি টন (মালবাহী ও অন্যান্য চার্জ ব্যতীত), মার্কিন ডলারের অভাব স্থানীয় আমদানিকারকদের জন্য বিদেশ থেকে গম আনা কঠিন করে তুলেছে।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সেক্রেটারি হুমায়ুন কবির ভূঁইয়া বলেন, সরকারের উচিত অবিলম্বে প্রয়োজনীয় খাদ্যশস্য আমদানি বাড়ানোর জন্য কাজ করা।

খাদ্যশস্য ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আমদানিকারকদের এক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, খাদ্যদ্রব্যের সুষ্ঠু সরবরাহ ও বিতরণ নিশ্চিত করতে বাজার মনিটরিংও বাড়াতে হবে।

খাদ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মোট ১.৫৮ মিলিয়ন টন খাদ্য মজুদের মধ্যে সরকারের কাছে মাত্র ২১০,০০০ টন গমের মজুদ রয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) অনুসারে, গত পাঁচ বছরে স্থানীয় গমের উৎপাদন প্রায় ১-১.১ মিলিয়ন টন ছিল।

দেশে ৬.৫-৭ মিলিয়ন টন গমের চাহিদা রয়েছে, যার ৯৫% ভারত, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকা থেকে আমদানি করা হয়।

শেয়ার করুন


সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ১৯৮৬ - ২০২২ মাসিক পাথেয় (রেজিঃ ডি.এ. ৬৭৫) | patheo24.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com