আরও ২-৩ দিন চলবে শৈত্যপ্রবাহ

আরও ২-৩ দিন চলবে শৈত্যপ্রবাহ

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : দেশের বিভিন্ন স্থানে শৈত্যপ্রবাহ চলছে। এটি ২-৩ দিন স্থায়ী হবে। শৈত্যপ্রবাহটি আরও তীব্রতা পেতে পারে। তাপমাত্রা আরও কমে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে পরিণত হতে পারে। তখন তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ গ্রিডি পর্যন্ত নেমে আসতে পারে।

আবহাওয়াবিদরা জানান, রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম ও সৈয়দপুরে শৈত্যপ্রবাহ থাকবে। এর প্রভাব রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পড়বে। বুধবার রাজধানীর তাপমাত্রাও কমেছে। এদিন তাপমাত্রা ছিল ১৫ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াম। এর আগের দিন রাজধানীতে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল। উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় তাপমাত্রা ছয় থেকে আট ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে চলে আসতে পারে।

এ ব্যাপারে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আফতাব উদ্দীন বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ রয়েছে। ফলে শীত বেড়ে গেছে। এটি দু-তিন দিন স্থায়ী হতে পারে। দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছয় থেকে আট ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে আসতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু শৈত্যপ্রবাহটি একই এলাকা দিয়ে বয়ে যেতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।

বুধবার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, শৈত্যপ্রবাহটি পাবনা, নওগাঁ, দিনাজপুর, সৈয়দপুর ও কুড়িগ্রাম অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বুধবার দেশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নওগাঁর বদলগাছীতে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বোচ্চ কক্সবাজারে ৩০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

উত্তরাঞ্চলে ব্যাহত জীবনযাত্রা : রাজশাহী ব্যুরো জানায়, বুধবার সকাল থেকে আগের কয়েক দিনের চেয়ে বেশি ঠাণ্ডা অনুভূত হলেও সন্ধ্যা হতেই শীতের তীব্রতা বেড়েছে। গোটা উত্তরাঞ্চলের কোথাও বুধবার সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। ফলে এ অঞ্চলের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। রাজশাহীসহ উত্তরের জেলাগুলোতে তাপমাত্রা আরও কমার পূর্বাভাষ দিয়েছে রাজশাহী আঞ্চলিক আহবাওয়া অফিস।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ আব্দুস সালাম বুধবার সন্ধ্যায় জানান, এ মৌসুমে বুধবার রাজশাহীতে সর্বনিম্ন ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। মেঘ ও ঘনকুয়াশার কারণে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্র চার ডিগ্রি কমে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যায়। দিনের মধ্যভাগে কুয়াশা কিছুটা কেটে গেলেও বিকালে কুয়াশার ভারে অন্ধকারের রূপ নেয় প্রকৃতি। সড়ক-মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। ঠাণ্ডা বাড়তে থাকায় সন্ধ্যার পর থেকেই রাজশাহী মহানগরীতে লোক চলাচল কমতে থাকে। অন্য দিকে নগরীতে ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ কিছুটা বেড়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *