পাথেয় রিপোর্ট : সাভারের আশুলিয়ায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে আগুন লেগে শিশুসহ একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হয়েছেন।
১ ডিসেম্বর শনিবার ভোর ৫টার দিকে আশুলিয়ার পশ্চিম বাইপাইলে মোস্তফা দেওয়ানের মালিকাধীন একতলা বাড়ির একটি কক্ষে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
দগ্ধরা হলেন- আকরাম হোসেন, তার স্ত্রী লাবলী আক্তার ও ৮ বছরের ছেলে আশিকুর রহমান। তাদের গ্রামের বাড়ির ফরিদপুরের মধুখালীর উপজেলায়। দম্পতি দুজনই আশুলিয়ার পোশাক কারখানার শ্রমিক।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ওসি রিজাউল হক দিপু জানান, শনিবার ভোরে লাবলী রান্না করতে গেলে গ্যাস সিলিন্ডার বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়ে পুরে ঘরে আগুন লেগে যায়। এতে কক্ষে থাকা ওই শ্রমিক দম্পতি ও তাদের সন্তান দগ্ধ হন। তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা এসে তিনজনকে উদ্ধার করে স্থানীয়হাসপাতালে নেয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়।খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
এর আগে ২ নভেম্বর সাভারের আশুলিয়াতেই নরসিংহপুরে একটি বাড়িতে গ্যাসের পাইপলাইন লিকেজ হয়ে আগুনে নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হয়েছিলেন।
আহতরা হলেন- আরব আলী (৪৫) ও তার স্ত্রী হাসিনা বেগম (৪০), আরব আলীর ছেলে আব্দুল্লাহ (২৮) ও তার স্ত্রী রিপা (২৫) ও তাদের দেড় বছরের কন্যাশিশু আয়েশা।
স্থানীয়রা জানিয়েছিলেন, অবৈধ গ্যাস লাইনে মানসম্মত পাইপলাইন না থাকায় এবং হাতুড়ে মিস্ত্রি দিয়ে সংযোগ দেয়ায় তা লিকেজ হয়ে যায়। গ্যাসের পাইপলাইনের ছিদ্র দিয়ে রাতে রান্নাঘর আচ্ছন্ন হয়েছিল, সকালে রান্না করতে গিয়ে চুলায় আগুন ধরাতে গেলে দুটি কক্ষ আগুন গ্রাস করে ফেলে।
আরব আলী আশুলিয়ায় ভাঙ্গাড়ির ব্যবসা করতেন। আর আব্দুল্লাহ একটি তৈরি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। তাদের গ্রামের বাড়ি চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর থানার গোয়ালপাড়ায়।
প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় নারী ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি করান। পরে তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়।
আশুলিয়া থানার ওসি রিজাউল হক দিপু বলেন, এটি কোনো গ্যাস সিলিন্ডার না। ঘরে কোনো গ্যাস সিলিন্ডার ছিল না। অবৈধ গ্যাসে লাইনের পাইপ লিক হয়ে এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমরা তদন্ত করছি।


