১৮ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ , ৩রা ভাদ্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ , ১৯শে মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি

ইন্দোনেশিয়া থেকে এলো সাড়ে ১৮ হাজার মেট্রিক টন কয়লা

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : বাগেরহাটের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগস্ট থেকে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হচ্ছে। অক্টোবর থেকে সেখানে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রস্তুতি হিসেবে প্রথমবারের মতো ইন্দোনেশিয়া থেকে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে ৫৪ হাজার ৬৫০ মেট্রিক টন কয়লা আমদানি করা হচ্ছে। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) ১৮ হাজার ৬৫০ মেট্রিক টন কয়লা তিনটি লাইটার জাহাজে করে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে।

জাহাজটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট টগি শিপিংয়ের ব্যবস্থাপক মো. খন্দকার রিয়াজুল হক বলেন, “গত ২০ জুলাই ইন্দোনেশিয়ার তানজুম ক্যাম্ফা বন্দর থেকে ৫৪ হাজার ৬৫০ মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে ‘আকিজ হেরিটেজ’ জাহাজটি ছেড়ে আসে। এরপর গত ৩১ জুলাই চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ে। সেখানে ১৮ হাজার ৬৫০ মেট্রিক টন কয়লা খালাস করে তিনটি লাইটার জাহাজে ওঠানো হয়।”

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) আনোয়ারুল আজিম বলেন, “রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের এ কয়লাই প্রথম জ্বালানি হিসেবে আমদানি করা হলো। বাংলাদেশ পতাকাবাহী জাহাজ ‘এম ভি আকিজ হেরিটেজ’ করে ইন্দোনেশিয়া থেকে এই কয়লা আমদানি করা হয়।”

তিনি আরও বলেন, “এখন থেকে ধারাবাহিকভাবে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি কয়লা আসবে। এই কয়লা দিয়ে আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে কয়লাভিত্তিক রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র পরীক্ষামূলক চালানো হবে। এরপর অক্টোবর থেকে আনুষ্ঠানিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাবে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র।”

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্র জানায়, বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মূল অবকাঠামো নির্মাণের দায়িত্বে রয়েছে ভারতের রাষ্ট্রীয় সংস্থা হেভি ইলেক্ট্রিক্যাল লিমিটেড (বিএইচইল)। ২০১০ সালে ভূমি অধিগ্রহণের মাধ্যমে প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়। ২০১২ সালে আনুষ্ঠানিক নির্মাণকাজ শুরু হয়। বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণে মোট খরচ হচ্ছে ১৬ হাজার কোটি টাকা। এখান থেকে দুই ইউনিটে ৬৬০ মেগাওয়াট করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা রয়েছে।

শেয়ার করুন


সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ১৯৮৬ - ২০২২ মাসিক পাথেয় (রেজিঃ ডি.এ. ৬৭৫) | patheo24.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com