পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : পবিত্র মাহে রমজানের শেষ দশকে ইবাদতের উদ্দেশ্যে আল-আকসা মসজিদে অবস্থান করছেন একদল নিরীহ ফিলিস্তিনি মুসল্লি। ইবাদতরত থাকা এসব মুসল্লির উপর বর্বর নির্যাতন ও হামলা করেছে ইসরাইলের একদল ইয়াহুদি উগ্র চরমপন্থী। খবর ইয়েনি শাফাকের।
রোববার (২ জুন) সকালে একদল উগ্র ইয়াহুদি চরমপন্থী জোর করে আল-আকসা মসজিদে প্রবেশ করে। সেখানে ইবাদতরত থাকা নিরস্ত্র মুমিন মুসলমানের ওপর হামলা চালায়।
মসজিদে আকসার পরিচালক ওমর কিসওয়ানি জানান, সকালের দিকে হাজারেরও বেশি চরমপন্থী ইয়াহুদিদের একটি দল হঠাৎই মসজিদে আকসা প্রাঙ্গনে প্রবেশ করেন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা মসজিদে প্রবেশ করে এবং ইবাদতরত মুসল্লিদের উপর আক্রমণ ও নির্যাতন চালায়।
তিনি বলেন, ইয়াহুদি চরমপন্থীরা পুরো রমজান মাসব্যাপীই তাদের এ সহিংসতা অব্যাহত রাখে। ইসরাইলি পুলিশের সহায়তা নিয়ে তারা আকসা মসজিদে আলমুগারা গেট ভাংচুর করে। উগ্র চরমপন্থীদের মসজিদে প্রবেশে বাধা দিলে তারা ইসরাইলি পুলিশের সহযোগিতায় সেসব মুসলমানদের ওপর চড়াও হয় এবং তদের ওপর বর্বর নির্যাতন করে। আর তাতে বিশাল সংঘর্ষ বেধে যায়। এ সময় ইসরাইলি পুলিশ ইবাদতরত ৩জন মুসল্লি ও এক নিরাপত্তাকর্মীকে গ্রেফতার করে।
ইসরাইলের ইয়াহুদি চরমপন্থী গোষ্ঠী রোববারের এ সংঘর্ষকে পূর্ব জেরুজালেম দখলের বার্ষিকী উদযাপনের ঘোষণা দেয়।
উল্লেখ্য যে, ১৯৬৭ সালে ইসরাইলি বাহিনী আরব-ইসরাইল যুদ্ধের সময় মসজিদে আকসাসহ পূর্ব জেরুজালেম দখল করে নেয়। এ পবিত্র মসজিদ মুসলমানদের প্রথম ক্বেবলা। আর ইয়াহুদিরা দাবি করে আসছে যে, এটি তাদের তীর্থস্থান। এখানে আগে থেকেই তাদের দুটি মন্দির ছিল।


