পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের রোববার (৬ জুন) জাতীয় সংসদে জানান, চলতি ২০২০-২১ অর্থবছর শেষ হওয়ার এক মাস আগে গত মে পর্যন্ত ৫৯৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা টোল আদায় হয়েছে এ সেতু থেকে, যা যে কোনো অর্থবছরের হিসাবে সর্বোচ্চ।
বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মাণের পর প্রথম ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে টোল থেকে আদায় হয়েছিল ৯৯ লাখ টাকা। প্রতিবছর বেড়ে সবশেষ ২০১৯-২০ অর্থবছরে আদায় হয় ৫৬০ কোটি ২৮ লাখ টাকা।
সেতুমন্ত্রী বলেন, “বঙ্গবন্ধু সেতু চালু হওয়ার পর হতে এ পর্যন্ত ছয় হাজার ৪৩৪ কোটি ৩ লাখ টাকা টোল আদায় হয়েছে। এ সময়ে সেতুর পরিচালন, রক্ষানাবেক্ষণ ও ডিএসএল পরিশোধ বাবদ ব্যয় হয়েছে চার হাজার ১০৪ কোটি ২১ লাখ টাকা। আদায় করা অর্থ থেকে সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়সহ সেতুর নির্মাণে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর ঋণ পরিশোধ করা হয়।”
ওবায়দুল কাদের আরও জানান, বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মাণে তিন হাজার ৭৪৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছিল। ১৯৯৮ সালের জুন মাসে সেতুটি উন্মুক্ত করা হয়। বঙ্গবন্ধু সেতু তৈরিতে যে অর্থ ব্যয় হয়েছিল, টোল থেকে হিসাব করলে ২০১৬-১৭ অর্থবছরেই সেই নির্মাণ খরচ উঠে এসেছে।
তবে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে যাওয়ায় উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর কাছ থেকে নেওয়া ঋণ ২০৩৪ সাল নাগাদ টোলের মাধ্যমে পরিশোধ করা শেষ হবে বলে জানান সেতুমন্ত্রী।
প্রসঙ্গত, বঙ্গবন্ধু সেতু পারাপারে প্রতিটি বড় বাসকে ৯০০ টাকা, ছোট বাসকে ৬৫০ টাকা, বড় ট্রাককে ১৪০০ টাকা, মাঝারি ট্রাককে ১১০০ টাকা এবং ছোট ট্রাককে ৮৫০ টাকা হারে টোল দিতে হয়।


