পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : করোনার সবশেষ ভ্যারিয়েন্ট ‘ওমিক্রন’ ঠেকাতে দেশের তৈরি পোশাক কারখানাগুলোকে ১৭টি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। গত সপ্তাহে এ সংক্রান্ত নথিটি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি, বিজিএমইএ।
সংগঠনটির সচিব ফয়জুর রহমানের সই করা নির্দেশনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- শ্রমিকদের ভিড় এড়াতে উৎপাদন শুরু ও ছুটির ভিন্ন ভিন্ন সময় নির্ধারণে জোর দেয়া, শারীরিক দূরত্ব রেখে চলাচলের ব্যবস্থা করা, বিভিন্ন বিভাগে কর্মঘণ্টার আলাদা শিফট করা যেতে পারে।
কারখানায় প্রবেশকালে শ্রমিকদের শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপ এবং প্রয়োজনে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা, প্রধান ফটকের কাছে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা থাকা, কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকদের ভিড় এড়িয়ে চলা, শ্রমিক-কর্মচারীদের মাস্ক পরা নিশ্চিত করা, সব ধরনের লোকসমাগম এড়িয়ে চলতে পরামর্শ দেয়া।
শ্রমিক-কর্মকর্তা-কর্মকারীদের করোনার উপসর্গ দেখা দিলে আইসোলেশনে রাখা, নমুনা পরীক্ষায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করা, পজিটিভ হলে রোগীর সংস্পর্শে আসাদের কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করা, স্বাস্থ্য সুরক্ষা গাইডলাইন এবং হেলথ প্রটোকল অনুসরণ করা।
গত ৮ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকায় B.1.1.529 নামে ওমিক্রন শনাক্তের পর একের পর এক দেশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এটি। এখন পর্যন্ত ৪০টির মতো দেশে ডেল্টার চেয়ে ভয়ংকর এই ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি মিলেছে। এর মধ্যে তিন দিক দিয়ে সীমান্তঘেঁষা ভারতেও ধরা পড়েছে ওমিক্রন।
এ নিয়ে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ১৫টি নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। পরে ভ্যারিয়েন্টটি ধরা পরা দেশগুলো থেকে প্রবাসীদের দেশে ফেরার ব্যাপারে পদক্ষেপও নেয়া হয়। সতর্কতা জারিসহ একই ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়া বিভিন্ন দেশ।


