১৮ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ , ৩রা ভাদ্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ , ১৯শে মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি

কখন ঘুমাবেন, কতক্ষণ ঘুমাবেন

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : পর্যাপ্ত ঘুম সুস্থ জীবনের অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি। প্রতিদিন অন্তত ছয় থেকে সাত ঘণ্টা নিরবিচ্ছিন্ন ঘুম না হলে দেখা দিতে পারে একাধিক শারীরিক ও মানসিক রোগ। টানা কয়েক রাত কম ঘুমালে ক্লান্ত হয়ে যাওয়া, মনোযোগ কমে যাওয়া, বিষণ্নতা ভর করা এবং উদ্বেগ বেড়ে যেতে পারে। তাই শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ঘুমের কোনো বিকল্প নেই।

শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ঘুমের কোনো বিকল্প নেই
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশনের মতে, ৬ থেকে ৯ বছর বয়সী শিশুদের ৭-৯ ঘণ্টা, ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের ৮-১০ ঘণ্টা, বয়ঃসন্ধির সময়টাতে অনেকেরই প্রায় ১১ ঘণ্টা ঘুমায়, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ১৮ থেকে ৬৪ বছর বয়সী মানুষের রাতে ৮ ঘণ্টা ঘুমানো দরকার। তবে নিয়মিত ৬ ঘণ্টা ঘুমালেও স্বাস্থ্য ঠিকঠাক থাকতে পারে। ৬৫ বছরের চেয়ে বেশি বয়সীদের ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম হলে ভালো। অনেকে আছেন দিনে অল্প সময় ভাতঘুম দিয়ে রাতে ৫ ঘণ্টা ঘুমিয়েও সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন।

রাতে অনেকেই আছেন যাদের নিরবিচ্ছিন্ন ঘুম হয় না। অনিদ্রায় ভুগেন। যাকে বলা হয় ‘ইনসোমনিয়া’। আধুনিক পৃথিবীতে প্রাপ্তবয়স্ক মানুষদের প্রতি তিনজনের একজন ঘুমের সমস্যায় ভুগছে। প্রতিদিন ছয় থেকে সাত ঘণ্টার কম সময় ঘুমালে আলঝেইমার, ক্যানসার, স্থূলতা, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, উদ্বিগ্নতা, হতাশা, স্মৃতি হারিয়ে ফেলা, এমনকি আত্মহত্যার প্রবণতাও তৈরি হয়।

ঘুম আমাদের মেটাবলিজম সিস্টেম এবং ওজন নিয়ন্ত্রণ করে। কোয়ালিটি লাইফের জন্য প্রতিদিন ছয় থেকে সাত ঘণ্টা ঘুমানো উচিত। রাতে ঘুমিয়ে ভোরের দিকে উঠে অল্প করে ব্যায়াম করতে পারেন। এক্ষেত্রে অ্যারোবিক ব্যায়ামগুলো উপকারী। সারারাত জেগে ভোরে ঘুমানো ঠিক নয়। মনে রাখবেন, রাতের ঘুমই সেরা। দিনে ঘুমানো মন্দের ভালো।

শেয়ার করুন


সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ১৯৮৬ - ২০২২ মাসিক পাথেয় (রেজিঃ ডি.এ. ৬৭৫) | patheo24.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com