নিজস্ব প্রতিবেদক ● এবারের ঈদে নৌপথে কোনোরকম দুর্ঘটনা ঘটেনি। দেখা যায়নি ওভার লোডিং। যাত্রী নিরাপত্তায় ব্যস্ততম প্রতিটি নৌঘাটে ম্যাজিস্ট্রেটসহ কর্মকর্তাদের নিয়োজিত করা হয়। কঠোর মনিটরিংয়ের কারণে এবারে ঈদযাত্রা ও ফেরা স্বাচ্ছন্দ হয়েছে। আগামী ঈদেও নৌপরিবহন অধিদপ্তরের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে জানিয়েছেন অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী একেএম ফখরুল ইসলাম।
গত শনিবার পটুয়াখালী থেকে সুন্দরবন-৯ লঞ্চ যোগে ঢাকায় ফেরার পথে যাত্রীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, এবারের ঈদযাত্রা তাদের আনন্দের হয়েছে। কারণ, ফি বছরের ন্যায় অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে তাদের ভ্রমণ করতে হয়নি। ঈদের দুদিন আগে বাড়ি গিয়ে শনিবার ফিরছিলেন নজিবর রহমান। তিনি জানান, এবারের ঈদযাত্রায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপে তিনি খুশি। কারণ জানতে চাইলে জানান, এবারে ওভার লোডিং হয়নি। স্বাচ্ছন্দে যাতায়াত করতে পেরেছেন।
ফখরুল ইসলাম জানান, গত রোববার পর্যন্ত নৌপথে ঈদ ফেরত যাত্রী এসেছে। এবার ঈদে প্রায় ১ হাজার ৫০০ নৌযান চলাচল করেছে। ২২ জুন থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত সার্ভিস অব্যাহত ছিল জানান তিনি। বলেন, ঈদযাত্রার শুরু থেকেই অধিদপ্তর কঠোর অবস্থানে ছিল। রমজানের শুরুতেই এবার দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় ১৭টি জেলায় সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করে অধিদপ্তর। বিআইডব্লিউটিএ পল্টুন, লঞ্চ ঘাট ঠিক আছে কিনা, মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করা, যাত্রীদের সচেতন করাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির কারণে এবার ঈদযাত্রা স্বাচ্ছন্দ হয়েছে বলে জানান ফখরুল ইসলাম।
ঈদুল ফিতর উদযাপনে প্রায় ৪৫টি নৌপথে ১৫ লাখের অধিক মানুষ যাত্রায় করে। এই বিপুল সংখ্যা যাত্রীর নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে নৌমন্ত্রী নির্দেশ দেন। যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য যেকোনো কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বলেন তিনি। মন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে অধিদপ্তর শতভাগ সফল হয়েছে। আসছে ঈদুল আযহার সময়ও এমনি কঠোর ব্যবস্থায় গ্রহণের মাধ্যমে যাত্রীসেবা নিশ্চিত করার কথা বলেন এই প্রকৌশলী। তিনি জানান, ঈদুল আযহা উদযাপনে ঘরে ফিরবে আরও বেশি সংখ্যক মানুষ।


