২১শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ১৭ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি

কাজাখস্তানে ব্যাপক বিক্ষোভ-সহিংসতা, সেনা পাঠাচ্ছে প্রতিবেশী দেশগুলো

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : সরকার পতনের পরেও অস্থিরতা থামেনি কাজাখস্তানে। চলমান বিক্ষোভ-সহিংসতায় সেখানে পুলিশ-বিক্ষোভকারীসহ এরই মধ্যে কয়েক ডজন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এ অবস্থায় দেশটির পরিস্থিতি সামলাতে সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়াসহ আশপাশের দেশগুলো। খবর আল জাজিরার।

বৃহস্পতিবার (৬ জানুয়ারি) কাজাখস্তানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, চলমান সহিংসতার মধ্যে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর দুই সদস্যের শিরচ্ছেদ করা মরদেহ পাওয়া গেছে। ১৯৯১ সালে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে স্বাধীন দেশ গঠনের পর থেকে সেখানে এটিই সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সংকট বলে মনে করা হচ্ছে।

তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে কয়েকদিন আগে কাজাখস্তানের ঝানাওজেন শহরে বিক্ষোভ শুরু হয়। এরপর ধীরে ধীরে তা ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশে। একপর্যায়ে তা সরকারবিরোধী বিক্ষোভে রূপ নেয়। এরপরেই প্রধানমন্ত্রীসহ পুরো মন্ত্রিসভাকে বরখাস্ত করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট। দুই সপ্তাহের জন্য জারি করা হয় দেশব্যাপী জরুরি অবস্থা। এরপরও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি।

শেষপর্যন্ত বিক্ষোভ থামাতে প্রতিবেশীদের কাছে সাহায্য চান কাজাখ প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ট টোকায়েভ। বৃহস্পতিবার সকালে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ‘বিদেশে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সন্ত্রাসীদের’ নেতৃত্বে চলা বিক্ষোভ থামাতে তিনি সিএসটিও-ভুক্ত (কালেক্টিভ সিকিউরিটি ট্রিটি অর্গানাইজেশন) দেশগুলোর কাছে সহায়তা চেয়েছেন।

এতে সাড়া দিয়েছে প্রতিবেশীরা। সাবেক সোভিয়েতভুক্ত দেশ রাশিয়া, আর্মেনিয়া, বেলারুশ, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান এবং তাজিকিস্তানের মধ্যকার একটি সামরিক চুক্তি হচ্ছে এই সিএসটিও।

রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা পোস্ট করা এক বিবৃতিতে সিএসটিও সচিবালয় জানিয়েছে, কাজাখস্তানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি সংস্থার শান্তিরক্ষী বাহিনীকে সীমিত সময়ের জন্য পাঠানো হচ্ছে।

সুত্র: জাগো নিউজ

শেয়ার করুন


সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ১৯৮৬ - ২০২২ মাসিক পাথেয় (রেজিঃ ডি.এ. ৬৭৫) | patheo24.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com