২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ৮ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ১৪ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

ঘূর্ণিঝড় ইয়াস কি আম্ফানের মতোই শক্তিশালী?

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের ক্ষত এখনো শুকায়নি উপকূলের মানুষের। তাই প্রতি মুহূর্তেই আম্ফানের সঙ্গে তুলনা টানা হচ্ছে বঙ্গোপসাগরে সদ্য জন্ম নেওয়া ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের। কিন্তু সত্যিই কি ইয়াস আম্ফানের মতোই ধ্বংসাত্মক? এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন ভারতের আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের উপ-মহানির্দেশক সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘ওদের মধ্যে কোনো তুলনাই চলে না। আম্ফান ছিল সুপার সাইক্লোন। কিন্তু ইয়াস অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়।

পুনের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল মেটিরিওলজির সাইক্লোন বিশেষজ্ঞ এবং নিউমেরিক্যাল ওয়েদার প্রেডিকশন সিস্টেমের অন্যতম মডেলার পার্থ মুখোপাধ্যায় বলেছেন, ‘সুপার সাইক্লোনে হাওয়ার গতি অনেক বেশি থাকবে। স্বাভাবিকভাবেই তার ধ্বংসক্ষমতাও প্রবল। কাজেই আম্ফান সেই দিক থেকে ইয়াসের চেয়ে অনেক এগিয়ে।’

আম্ফান বনাম ইয়াস

আম্ফান সুপার সাইক্লোন, ইয়াস অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়। আম্ফানে ঝড়ের সর্বোচ্চ গতি হয়েছিল ঘণ্টায় ২৬০ কিলোমিটার। ইয়াসে ঝড়ের গতি ঘণ্টায় ১৫৫-১৬৫ কিলোমিটারের মধ্যে থাকবে। আম্ফান তৈরি হয়েছিল কলম্বো থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার পূর্বে, ইয়াস তৈরি হয়েছে মধ্য-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে। ল্যান্ডফলের আগে আম্ফান প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার সমুদ্রের ওপর দিয়ে এগিয়েছিল। ল্যান্ডফলের আগে ইয়াস সমুদ্রের ওপর দিয়ে ৬৫০-৭০০ কিলোমিটার এগোবে।

আম্ফানের গতিপথ ছিল উৎস থেকে উত্তর-উত্তরপূর্বে, ইয়াসের গতিপথ উৎস থেকে উত্তর-উত্তরপশ্চিম। আম্ফান ভারতের ভূখণ্ড পার করে বাংলাদেশের দিকে এগিয়েছিল, ইয়াস ল্যান্ডফলের পর ঝাড়খণ্ড পেরিয়ে মধ্যভারতের দিকে এগোবে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন


সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ১৯৮৬ - ২০২১ মাসিক পাথেয় (রেজিঃ ডি.এ. ৬৭৫) | patheo24.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com