২রা মার্চ, ২০২১ ইং , ১৭ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ১৭ই রজব, ১৪৪২ হিজরী

জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করবো এটাই আমাদের অঙ্গীকার

জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করবো এটাই আমাদের অঙ্গীকার

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমাদের স্বাধীনতার সুফল প্রতিটি মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছাবে। বাংলাদেশ হবে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ। সোনার বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন জাতির পিতা দেখেছিলেন, আমরা তা বাস্তবায়ন করবো। সেটাই আমাদের ২০২১ সালের অঙ্গীকার।’ বৃহস্পতিবার সকালে ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ (ডিএসসিএসসি) ২০২০-২০২১ কোর্সের গ্রাজুয়েশন সেরিমনিতে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি ডিএসসিএসসি মিরপুর সেনানিবাসের শেখ হাসিনা কমপ্লেক্সে যুক্ত হয়ে ভাষণ দেন।

প্রধানমন্ত্রী গ্রাজুয়েশন কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য অংশগ্রহণকারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি ধন্যবাদ জানান এবং করোনার কারণে সরাসরি উপস্থিত থাকতে না পারার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘আমি আশাবাদী—সামরিক বাহিনীর কমান্ড এবং স্টাফ কলেজ তাদের শিক্ষামানের উচ্চ ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখবে। এ প্রতিষ্ঠানের গ্র্যাজুয়েটগণরা তাদের অর্জিত জ্ঞান, ইচ্ছাশক্তি ও অঙ্গীকারের মাধ্যমে দেশকে একটি স্থিতিশীল, টেকসই আত্মনির্ভরশীল সর্বোপরি গৌরবময় অবস্থানের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।’

‘মনে রাখতে হবে, এই দেশ লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা স্বাধীন করেছি। এই দেশকে আমরা উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসাবে গড়ে তুলতে চাই’—বলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘জাতির পিতা যুদ্ধবিধস্ত দেশ গড়ে তুলে বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠা করে গিয়েছিলেন। আমাদের দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার ফসল আজকে আমরা উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হবার সক্ষমতা অর্জন করেছি। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য আরও অনেক দূর যাওয়া।’ প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের মেয়াদে প্রেক্ষিত পরিকল্পনা গ্রহণ করে দেশকে এগিয়ে নিতে পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘২০০৯ সালে সরকার গঠন করে ২০১০ থেকে ২০২০ আমরা প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করে তারই ভিত্তিতে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গিয়েছি। বর্তমানে আমরা ২০২১ থেকে ২০৪১ প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছি।’

২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের পাশাপাশি জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘২০৪১ সালে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। সেই লক্ষ্য নিয়ে আমি কাজ করে যাচ্ছি। আজকে যারা গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করবেন, তারা আমার সেই ২০৪১-এর সৈনিক হিসাবেই কাজ করবেন এবং দেশকে যেন সামনের দিকে যেন এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি এবং দেশের ভাবমূর্তি যেন উজ্জ্বল হয়, সেদিকেই লক্ষ্য রাখবেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মুজিববর্ষে আমাদের অঙ্গীকার, বাংলাদেশে একটি মানুষও গৃহহারা ভূমিহীন থাকবে না। প্রতিটি মানুষের একটা ঠিকানা হবে। প্রতি ঘরে ঘরে আলো জ্বলবে। প্রতিটি মানুষ শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য সেবা পাবে। উন্নত জীবন পাবে, সুন্দরভাবে বাঁচবে এবং প্রতিটি গ্রামেই শহরে রূপান্তর হবে। প্রত্যেকে একেবারে নাগরিক সুবিধা গ্রামে বসে পাবে। সেইভাবেই আমরা বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে চাই এবং ইনশাল্লাহ আমি বিশ্বাস করি, এটা করা খুব কঠিন কাজ না। এটা করা সম্ভব।’
‘হয়তো চিরদিন থাকবো না, কিন্তু পরিকল্পনাটা দিয়ে যাচ্ছি। এখানেই আমরা থেমে থাকিনি। ২১০০ সালের বাংলাদেশ কেমন হবে? অর্থাৎ বাংলাদেশ একটি বদ্বীপ এই বদ্বীপের মানুষগুলি, যেমন জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা পাবে পাশাপাশি এদেশ আরও সুন্দরভাবে গড়ে উঠবে। সেদিকে লক্ষ্য রেখে ডেল্টা প্ল্যান তৈরি করে দিয়ে সেটা আমরা বাস্তবায়নের কাজও শুরু করেছি। যাতে করে এই দেশটি আরও উন্নত-সমৃদ্ধশালী হয়। প্রজন্মের পর প্রজন্ম যেন উন্নত জীবন পায়, সুন্দর জীবন পায়’—বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমাদের স্বাধীনতা অর্থবহ হবে; এর সুফল প্রতিটি মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছাবে। বাংলাদেশ হবে ক্ষুধামুক্ত দারিদ্র্যমুক্ত অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ। সোনার বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন জাতির পিতা দেখেছিলেন আমরা তা বাস্তবায়ন করবো। সেটাই আমাদের এই ২০২১ সালের অঙ্গীকার।’
আমরা করোনাভাইরাস মোকাবিলা করছি উল্লেখ করে তিনি বলে, ‘ইতোমধ্যে আমাদের ভ্যাকসিন এসে গেছে। ভ্যাকসিন দেওয়ার কার্যক্রমও শুরু করেছি। বাংলাদেশের সবাই সুরক্ষিত থাকুক, সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হোক, সুন্দর জীবন পাক, সেটাই কামনা করি।’

মিয়ানমার তার নাগরিকদের ফেরত নেবে, সেটাই আমরা চাই : পররাষ্ট্রনীতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আজকে কেউ বলতে পারবে না, বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো দেশের বৈরী সম্পর্ক আছে। আমরা মোটামুটি সকলের সঙ্গে একটা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে চলছি।’ তিনি বলেন, ‘আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি, যাতে তারা তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিয়ে যায়। আমরা একটা বন্ধুত্বসুলভ মনোভাব নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি। তারা তাদের নাগরিকদের ফেরত নেবে, সেটা আমরা চাই।’

জাতির পিতার রাষ্ট্রপরিচালনার নীতির আলোকে প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়নে বহুমুখী পদক্ষেপ ও পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন বলেন উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘তারই আলোকে ১৯৯৬ সালে যখন প্রথম সরকার গঠন করি আর দ্বিতীয়বার ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকারে আসি, তারই আলোকে আমরা ফোর্সেস গোল ২০৩০ প্রণয়ন করেছি। ২০৩০ অর্থাৎ এই সময়ের মধ্যে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী আমরা কিভাবে গড়ে তুলবো, আধুনিক জ্ঞান প্রযুক্তি সম্পন্ন বিশ্বের সঙ্গে যেকোনো দেশের সঙ্গে যেন তাল মিলিয়ে চলতে পারে। বিশেষ করে জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা মিশনে যেহেতু অন্যান্য দেশের সঙ্গে কাজ করছে কাজেই কোনোদিকে আমরা যেন পিছিয়ে না থাকি সেদিকে লক্ষ্য রেখে নীতিমালা প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়নের কাজও শুরু করেছি।’

সশস্ত্র বাহিনীর প্রশিক্ষণ একাডেমি প্রতিষ্ঠার পটভূমি তুলে ধরেন এবং জাতির পিতার একটি ভাষণ থেকে উদ্ধৃতিও করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী জানান, জাতির পিতা তার সেই ভাষণে বলেছিলেন, ‘পূর্ণ সুযোগ সুবিধা পেলে আমাদের ছেলেরো যেকোনো দেশের যেকোনো সৈনিকের সঙ্গে মোকাবিলা করতে পারবে। আমার বিশ্বাস, আমরা এমন একটি একাডেমি সৃষ্টি করবো, সারা দুনিয়ার মানুষ এই একাডেমি দেখতে আসবে।’
এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘এটাই ছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের স্বপ্ন এবং আকাঙক্ষা। যা তিনি প্রথম সমাপনী ভাষণে বলেছিলেন। আজকে বাস্তবে এটা করতে পেরেছি। আজকে আমাদের এই একাডেমি সারাবিশ্বের কাছে একটা বিস্ময় এবং তারা সকলে এটা অনুভব করে এবং প্রশংসা করে।’

বৈশ্বিক মহামারি মোকাবিলার লক্ষ্যে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন, ‘এই করোনাভাইরাস সারাবিশ্বকে একেবারে সব ক্ষেত্রে স্তিমিত করে রেখেছে। আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন থেকে সব কিছুতেই একটা স্থবিরতা নেমে এসেছে। কিন্তু এর মাঝেও সারাবিশ্ব যখন স্তিমিত তখন দেশের মানুষের স্বাস্থ্যগত বিষয়টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি সকল অর্থনৈতিক উন্নয়ন কার্যক্রম যেন অব্যাহত থাকে তার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি এবং আমরা অনেক ক্ষেত্রে সফলতা অর্জন করেছি।’
প্রশিক্ষণ গ্রহণ এবং প্রদানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছাও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘প্রথম বছরে ছিল মাত্র ৩০ জন। আর আজকে তা বেড়ে ২২৫ জনে উন্নীত হয়েছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত বন্ধুপ্রতীম ৪৩টি দেশের ১ হাজার ২০৮ জন অফিসার এই কলেজ থেকে গ্রাজুয়েশন লাভ করেছে। তারা সকলেই নিজ নিজ দেশে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। এ কোর্সেও ১৬টি বন্ধুপ্রতিম দেশের ৪৩ জন কর্মকর্তা অংশ নিয়েছেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূল মন্ত্রটা হচ্ছে সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব। কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়। এ নীতিমালা জাতির পিতা আমাদের দিয়ে গেছেন। আর এই নীতিমালা অনুসরণ করেই আমরা আন্তঃরাষ্ট্রীয় সুসম্পর্ক বজায় রেখে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। আজকে কেউই বলতে পারবে না, বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো দেশের কোনো বৈরী সম্পর্ক আছে। আমরা মোটামুটি সকলের সঙ্গে একটা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে চলছি।’

‘বর্তমানে বিভিন্ন আঞ্চলিক আন্তর্জাতিক ঐক্য উন্নয়ন নিয়ে বাংলাদেশ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও গৌরবময় ভূমিকা রাখছে। অভ্যন্তরীণ সম্পদ ও নানাবিধ সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও আমরা বিপন্ন মানবতার ডাকেও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছি’ বলেন শেখ হাসিনা।

মিয়ানমান থেকে আমাদের দেশে প্রায় ১০ লাখের মতো রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। আমরা তাদেরকেও আশ্রয় দিয়েছি। আর আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও উন্নয়নের স্বার্থে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যূত মিয়ানমারের যে নাগরিকদের আশ্রয়দান এবং তাদের নিজ দেশে যাতে ফিরে যেতে পারে, তার ব্যবস্থার জন্য আমরা কিন্তু কারও সঙ্গে কোনো দ্বন্দ্বে লিপ্ত হইনি। আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি, যে আলোচনার মাধ্যমে তারা তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিয়ে যায়। একটা বন্ধুত্বসুলভ মনোভাব নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি। তবে যারা অন্যায় করেছেন, নিশ্চয়ই আমরা সেটা বলবো। কিন্তু তারপরও তারা তাদের নাগরিকদের ফেরত নেবে, সেটা আমরা চাই বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। আমরা এই যে, এতগুলো বাস্তুচ্যুত মানুষকে আশ্রয় দিয়েছি। এ জন্য সারাবিশ্ব বাংলাদেশের প্রশংসা করছে, সাধুবাদ জানাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

‘আমরা আমাদের দেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে সার্বিকভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। বিশ্বায়ন ও তথ্য-প্রযুক্তির এই যুগে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার যে প্রতিশ্রতি দিয়েছিলাম আজকে সে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলেছি। এই বছরেরই আমরা শতভাগ বিদ্যুৎ দিতে পারবো, সেইভাবেই কাজ করে যাচ্ছি। অর্থনীতি যাতে শক্তিশালী থাকে তার জন্য সব রকমের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি’—বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের বাজেট আমরা এখন নিজের অর্থায়নেই করতে পারি। পরনির্ভরশীল হতে হয় না। কারও কাছে হাত পেতে করতে হয় না। আমরা আত্মনির্ভরশীল একটি জাতি হিসাবে নিজেদেরকে গড়ে তোলার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি এবং অনেকাংশে আমরা সাফল্য অর্জন করেছি।’

আজকে আপনাদের জীবনে একটি বিশেষ দিন। এই দিনটির জন্য প্রায় ১১ মাস কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যাবসায় করতে হয়েছে। আমার বিশ্বাস এই প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান, আপনাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে পালনে এবং যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়ক হবে— বলেন প্রধানমন্ত্রী।

আমাদের সামরিক বাহিনী কমান্ড জাতীয় স্টার্ফ কলেজ জাতীয় সীমারেখা ছাড়িয়ে আজ আন্তর্জাতিক পরিম-লেও এক অনন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসাবে পরিচিত লাভ করেছে উল্লেখ করে সামরিক প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে বহির্বিশ্বে সুনাম অর্জনের জন্য কলেজের সাবেক-বর্তমানে সকলের প্রতি ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

নিউজটি শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ১৯৮৬ - ২০২১ মাসিক পাথেয় (রেজিঃ ডি.এ. ৬৭৫) | patheo24.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com