১২ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ২৯শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ২৯শে রমজান, ১৪৪২ হিজরি

জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়ায় মানহাজী ফিতনা ও কয়েকটি কথা

সগীর আহমদ চৌধুরী

• নিজেরা করলে দাওয়াত, অন্যরা করলে দালালি
• কওমী মাদরাসা জনগনের প্রতিষ্ঠান, সবার জন্য উন্মুক্ত
• উস্তাযদের বিরুদ্ধে ছাত্রদের লেলিয়ে দিচ্ছে কারা?

হেফাজত নেতৃবৃন্দ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বৈঠক করেছেন গভীর রাতে। আপোসরফা বলবো না ঠিক, তবে একটা সমাধানের পথ খুঁজছেন নেতৃবৃন্দ। আল্লামা শাহ আহমদ শফী (রহ.)-ও ঠিক এই কাজটিই করেছিলেন। না, দুঃখিত, প্রশাসন বরং তাঁর কাছেই ধর্না দিয়েছিল।

হ্যাঁ, তাঁর নাম ব্যবহার করে কেউ কেউ হয়তো সরকারি সুবিধা বা ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করেছে। কিন্তু এর দায় বা দোষ কোনোটাই আল্লামা শফীর ছিলো না, এটা তো ওইসব লোকের অতীত পাপেরই ফল ছিল। হাদীস শরীফ অনুযায়ী : যে লোক অন্য কাউকে তোহমত দেয়, মুনাফিক বা কাফের আখ্যা দেয় যদি সে এর লায়েক না হয় তবে সেই তোহমত বা অপবাদ তার ওপরই পতিত হবে। কাজেই এ দায় আল্লামা শফীর নয়, তাদেরই অতীত পাপের ফল।

অতএব যারা আল্লামা শাহ আহমদ শফীকে সরকারের দালাল, কাপুরুষ, আপোসকামী ও বিশ্বাসঘাতক ইত্যাদি গালাগাল করেছে, তাঁকে হেনস্থা করেছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে কথিত বিপ্লবে ভূমিকা রেখেছে বা আন্দোলনের সহযোগী হয়েছে ও তাঁকে পদত্যাগে বাধ্য করেছে তাদের সকলের অনুশোচিত হওয়া উচিত।

প্রশাসনের সাথে বোঝাপড়া করে তাকে চলতে হয়

মুহতারাম হারুন ইজহার ভাই হাটহাজারী বিপ্লবপূর্ব ঢাকার এক ইসলাহী মাহফিলে বলেছিলেন, “ওলামায়ে কেরাম সরকারের সাথে সম্পর্ক রাখবেন, প্রধানমন্ত্রী-মন্ত্রীপরিষদের সাথে যোগাযোগ রাখবেন এবং গণভবন-বঙ্গভবনেও যেতে পারেন। যেতে পারেন, তবে যাবেন মুজাদ্দিদ আলফে সানী হয়ে, আবুল ফজল বা আবুল ফয়েজ হয়ে নয়।” কথা তো একদমই সহীহ, কিন্তু আমাদের অনেকের সমস্যা হচ্ছে, আমরা নিজেদেরকে ছাড়া অন্য সকলকে আবুল ফজল বা আবুল ফয়েজ মনে করি। হারুন ভাই নিজেই অন্য ভিডিওতে স্বীকার করেছেন যে, তাঁর সাথে প্রশাসনের যোগাযোগ আছে, তাদের সাথে বোঝাপড়া করে তাঁকে চলতে হয়, তিনি তাঁদেরকে দীনের দাওয়াত দেন এবং ইসলামে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন। ঠিক এই কাজটাই তো ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মেইনটেইন করে। তাহলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দোষ কোথায়?

তিনি নিজের ব্যাপারে ওভার কনফিডেন্ট, কিন্তু অন্যের ব্যাপারে সন্দেহ, সংশয় ও শক-শোবা প্রকাশ করেন। এটা কতটা ন্যায়সংগত, যুক্তিযুক্ত ও শোভনীয়? এটা কি শেষ রাতে তাহাজ্জুদের জন্য অজুরত দরবেশ ও চৌর্যকাজ শেষে হাত-মুখ ধোয়া চুরের কাহিনির মতো হয়ে গেল না?

কাজে-অকাজে বা প্রয়োজনে সরকার-প্রশাসন ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের সাথে কার না সম্পর্ক আছে। ভারতে শাসক কংগ্রেসের সাথে দারুল উলুম দেওবন্দের সম্পর্কের কথা তো ঐতিহাসিক, ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শ্রী মতি ইন্দারা গান্ধী দারুল উলুম দেওবন্দের শতবার্ষিকী সম্মেলনে অতিথি হয়ে তশরীফ এনেছিলেন। সাইয়েদ আসআদ মাদানী (রহ.) কংগ্রেসের টিকেটে রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন কয়েক দফা, সাইয়েদ মাহমুদ মাদানী সমাজবাদী পার্টি থেকে ইউপি বিধানসভা বিধায়ক হয়েছিলেন। [ ন্যাশনাল পিপলস পার্টির পক্ষ থেকে ভারতীয় সংসদে উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন মাওলানা মাহমুদ মাদানী – পাথেয় ]

হ্যাঁ, এটা ঠিক যে, সরকারি অর্থ দারুল উলুম অত্যন্ত বিনয়ের সাথে ফিরিয়ে দেয়, কিন্তু সরকারি লোকজন যেকোনো সময় দারুল উলুমে পদার্পন করতে পারেন, মেহমান হিসেবে তাদেরকে যথাযোগ্য মর্যাদা দিয়ে সম্মানিত করতে মোটেই কসুর করে না দারুল উলুম। চট্টগ্রামের জামিয়াতুল উলুম লালখান বাজারেও সারাক্ষণ প্রশাসনের লোকজন গিজগিজ করেন, বিদেশি বিধর্মী রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধিরাও স্বাগত হন সেখানে। নিশ্চয়ই একথায় কারো কোনো দ্বিমত থাকার কথা নয় যে, মাদরাসাসমূহ কোনো নিষিদ্ধ জায়গা নয়, গোপন কোনো কার্যক্রমও এখান থেকে পরিচালিত হয় না, এসব মাদরাসা যেকেউ যেকোনো সময় পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত।

তাহলে জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়ায় স্থানীয় সংসদ সদস্য, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ধর্মমন্ত্রী ও রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের আগমনে সমস্যা কোথায়? কিসের ভিত্তিতে তাঁদেরকে মাদরাসায় আগমনে বারণ করা যেতে পারে? মেহমান হিসেবে তাঁদেরকে অপমান, অসম্মান ও অসৌজন্যতা ইসলামের কোন শিষ্টাচার ও কূটনীতির আলোকে সিদ্ধ? স্বীকার করুন আর না করুন কওমি মাদরাসা জনগণের অনুদানে চলে, সেই জনগণের মধ্যে আওয়ামী-জাতীয়তাবাদী সকলেই আছে। আওয়ামী জনগণের খয়রাতে ভরণ-পোষণ, আবাস ও কিতাবে আপত্তি নেই, আপত্তি তাঁদের মেহমান হয়ে আসায়। স্পর্ধা দেখুন! তাঁদেরকে কাফের এবং তাঁদের আগমনে মেহমানদারির অজুহাতে জামিয়া পটিয়ার কর্তৃপক্ষকে তাগুত, তাগুতের পা চাটা গোলাম ও দালাল ইত্যাদি আখ্যা দিযে ফতওয়া জারি করে জামিয়ারই দারুল ইফতার দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্ররা।

ফেসবুক-ইউটিউবের সন্দেহজক শায়খের কথায় নিজের বুখারী-মুসলিমের উস্তাযদের মুনাফিক বলছে

এমন পরিস্থিতি জামিয়া পটিয়া কী করতে পারে? কী করা উচিত এ ব্যাপারে? এই জামিয়ার আসাতেযায়ে কেরাম সকলেই বাছা বাছা জ্ঞানী-গুণী আলেম, স্কলার, আমলী, নেক্কার-পরহেজগার। আর এসব উস্তাদরাই শিক্ষার্থীদের খাবার, বাসস্থান, কিতাব ও অন্যান্য জরুরিয়াতের জন্য দেশ-বিদেশে মানুষের দরোজায় দরোজায় ভিক্ষে করেন। যাদের ভিক্ষের অসিলায় যারা মাদরাসায় পেটপুরে খেতে পারে, বিনামূল্যে কিতাব পড়তে পারে, বিনাবিদ্যুৎ বিলে আবাস পায়, আজ সেই ছাত্ররাই তাদের উস্তাদদেরকে তাগুত বলছে, তাগুতের পা চাটা গোলাম আখ্যা দিচ্ছে, মোদির কুত্তা বলে গালি দিচ্ছে। যেসব উস্তাদের কাছে এরা আলিফ থেকে ‘ক্বল, ক্বলা রাসূলুল্লাহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ পড়েছে, বুখারী-মুসলিমের দরস ও সনদ নিয়েছে, সেই উস্তাদদেরকেই মুনাফিক বলছে, ফেসবুক ও ইউটিউবের কিছু সন্দেহজনক শায়খের শায বক্তব্য ও ক্ষুদ্র কথায় প্রভাবিত হয়ে।

জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়া বাংলাদেশের অন্য যেকোনো প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যতিক্রম। এখানে সবকিছু পরিচালিত হয় সুন্দর ও সুবিন্যাস্ত নিজামের সঙ্গে। এখানে মুহতামিমপুজো হয় না বা করতে হয় না, অন্যান্য মাদরাসার মতো সাহেবজাদাপ্রথাও এখানে বিলকুল নেই। এ পর্যন্ত চারজন মুহতামিম ছিলেন এ জামিয়ায়, অত্যন্ত সুখের বিষয় হচ্ছে, তাঁদের কেউই পূর্ববর্তী কারো সাহেবজাদা নন। এখানে মুহতামিম সাহেবগণ নিয়োজিত হন তাঁদের ইখলাস, ন্যায়-নিষ্ঠা, অভিজ্ঞতা, আধ্যাত্মিক উন্নতি ও যোগ্যতার ভিত্তিতে। তাঁরা মনোনীত হন নিয়মতান্ত্রিক শুরায়ী নিজামে, কোনো লবিং-গ্রুপিং ও বলয় সৃষ্টির প্রয়োজন পড়েনি অতীতে কখনো। মুহতামিম সাহেব কখনো খাদেম-চাটুকার ও তোষামোদ দ্বারা প্রভাবিত হন না, তাঁর সেই সুযোগও নেই। নেই কোনো স্বৈরতান্ত্রিকতা, কোনো সিদ্ধান্ত তিনি এককভাবে নেন না, শিক্ষক-নিয়োগ ও বিদায় এবং কোনো সিদ্ধান্ত তিনি চাপিয়ে দেন না। মূলত মাদরাসার নির্বাহী ক্ষমতা একটি মজলিসের কাছে সংরক্ষিত, মজলিসে এলমি। যাবতীয় সিদ্ধান্ত মজলিসে এলমিই গ্রহণ করে, সম্মতিক্রমে।

দারুল ইফতার দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্ররা ফতওয়া জারি করল। ২৬ মার্চ উস্তাদদের নির্দেশনা উপেক্ষা করে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ল। লাঠিসোটা নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় উদ্যত মহড়া দিল। যারা উস্তাদের আনুগত্য স্বীকার করে এসব কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেনি তাদেরকে সম্মিলিত হেনস্তা করল। এমন অরাজক ও ধৃষ্টতাপূর্ণ আচরণে আসাতিযায়ে কেরাম মর্মাহত হবেন না তা কী স্বাভাবিক?

ব্যথিত উস্তাযগণের সিদ্ধান্ত, আগামী শিক্ষাবর্ষে দারুল ইফতা বন্ধ থাকবে

স্বাভাবিকভাবেই আসাতিযায়ে কেরাম ব্যথিত হন, মর্মাহত হন, দুঃখ পান। পরবর্তীতে মজলিসে এলমির মিটিং হয়, সেখানে সকলেই ছাত্রদের এমন বিশৃঙ্খলার ঘটনাকে জামিয়ার ইতিহাসে একটা কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত করেন এবং সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন যে, আগামী শিক্ষাবর্ষে সাময়িকভাবে দারুল ইফতা বন্ধ থাকবে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে এই ‘সম্মিলিত সিদ্ধান্ত’-কে ব্যক্তিবিশেষের ঘাড়ে চাপিয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট অপপ্রাচার ও প্রোপাগাণ্ডা চালানো হচ্ছে একটা উচ্ছৃঙ্খল ত্রাসী ও বিতর্কিত রাজনীতিক গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে।

জামিয়া প্রধান, ইসলামি চিন্তাবিদ, বরেণ্য স্কলার, দার্শনিক ব্যক্তিত্ব, প্রজ্ঞাবান মুহাদ্দিস, হাকিমুল ইসলাম, শায়খুল হাদীস আল্লামা শাহ আবদুল হালীম বুখারী (দা. বা.)-কে নিয়ে মিথ্যা তুহমত, অপবাদ, জবানদরাজি ও অপবাক্য ব্যয় করছে। আমার দেখা মতে, আল্লামা বুখারী হাফিজাহুল্লাহ একজন শ্রেষ্ঠ জ্ঞানী ও বুদ্ধিমান ব্যক্তিত্ব, একজন ক্ষণজন্মা পুরুষ। কওমি থেকে দাওরা, আলিয়া থেকে কামিল এবং একই সাথে মাস্টার্স করা একজন সর্বোচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তি। জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়ার গঠনতন্ত্র ও রেওয়াজ অনুযায়ী মুহতামিম সাহেবের পদবি হিসেবে ‘মহাপরিচালক’ লেখার নিয়ম থাকলেও আল্লামা বুখারী (দা. বা.) সেটি সচেতন পরিহার করেন, এটি তাঁর যুহদ অবলম্বন ও আপন পীর হযরত সদর সাহেব হুযুরের নির্দেশনা অনুসারে। তাঁর আমলে জামিয়া পটিয়ায় লেখাপড়া ও অবাঠামোগত প্রভূত উন্নতি হয়েছে। এতো বিশাল কর্মযজ্ঞের মধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে নূন্যতম অনিয়মের কোনো অভিযোগ শত্রুপক্ষও করতে পারবে না। আজ এমন এক ব্যক্তি নিয়ে দুই আনার কথিত শায়খদের কথায় ছাত্ররা কটূক্তি করবে, তা কীভাবে সমর্থনযোগ্য? আর এসব উসকানিইবা কতটা গ্রহণযোগ্য?

আরও পড়ুনঃ ধর্মীয় নেতাদের নয়, দুষ্কৃতকারীদের গ্রেফতার করছে সরকার : তথ্যমন্ত্রী

জামিয়ার নায়েবে মুহতামিম হযরত মাওলানা হাফেজ ওবাইদুল্লাহ হামযাহ (দা. বা.)। একজন প্রজ্ঞাবান আলেমে দীন, কুরআনে হাফিয, মুহাদ্দিস, আদীব, লেকচারার, বক্তা, ওয়ায়েজ, খতীব, প্রবন্ধকার, লেখক। তাঁর অ্যাকাডেমিক সনদ কি? শুধুই জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়া থেকে দাওরায়ে হাদীস ও বেফাকের তাকমীলের একখানা সনদ, এই একখানা সনদ ছাড়া তাঁর আর কোনো অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেট না থাকা সত্ত্বেও তিনি এমন এক স্কলার হিসেবে সম্মানিত যিনি আন্তর্জাতিক সেমিনারে আমন্ত্রিত হন, শত শত পণ্ডিত ব্যক্তিত্ব ও ভার্সিটি শিক্ষকদের সামনে অনর্গল ইংরেজি বা আরবি ভাষায় লেকচার দেন। বয়রুত, জাকার্তা, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, পবিত্র মক্কা শরীফ ও আমেরিকাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সেমিনারে তিনি অনেকগুলো লেকচার ও প্রবন্ধ উপস্থাপন করে দেশ ও কওমি ওলামায়ে কেরামের মুখ উজ্জ্বল করেছেন। যোগ্যতা থাকলে কোনো সনদের প্রয়োজন যে পড়ে না তার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হচ্ছেন আল্লামা ওবাইদুল্লাহ হামযাহ, বারাকাল্লাহু ফি হায়াতিহিম। হার ফনে মাহের ও বহু গুণে গুণান্বিত আত্মগর্বের এই মহান ব্যক্তিত্বকে নিয়েও চলছে ফেতনাআঙ্গীজদের দুষ্প্রচার, প্রোপাগাণ্ডা ও নিন্দাবাদ। কেন তিনি জিহাদ ঘোষণা করেন না, কেন ফতওয়া দিয়ে দেশকে দারুল হরব ঘোষণা করেন না ইত্যাদি।

আল্লাহ! মাদারিসে কওমিয়ার এই দীনের দূর্গকে রক্ষা করুন। আমীন।

লেখক: প্রাবন্ধিক, গবেষক আলেম  

শেয়ার করুন


সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ১৯৮৬ - ২০২১ মাসিক পাথেয় (রেজিঃ ডি.এ. ৬৭৫) | patheo24.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com