পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে ও তৎসংলগ্ন এলাকায় লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এতে উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীর নিম্নাঞ্চলসহ সংস্কারহীন ভাঙা বাঁধ দিয়ে লোকালয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ করেছে।
লঘুচাপের প্রভাবে শুক্রবার (২৩ জুলাই) দুপুরের জোয়ারে উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরবেষ্টিন, দক্ষিণ চরমোন্তাজ, নয়ারচর, চরআণ্ডা ও ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের কোড়ালিয়া লঞ্চঘাট এলাকার ভাঙা বাঁধ দিয়ে পানি ঢুকেছে।
জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের ছোবলে ওই পাঁচ এলাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধ ভেঙে গিয়েছিল। এ ছাড়া চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের তিনটি গ্রামের বাঁধ অনেক আগ থেকেই ভেঙে আছে। এ বাঁধগুলো সংস্কার না করায় জোয়ারের পানি বাড়লেই লোকালয় প্লাবিত হয়ে পানিবন্ধি হয়ে পড়ে লোকজন।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য মতে, উপজেলার ১৪ কিলোমিটার ভাঙা বাঁধের আপদকালীন জরুরি ৩ কিলোমিটার সংস্কার করা হয়েছে। তার মানে তাদের এ তথ্যই বলছে এখনও ১১ কিলোমিটার বাঁধ সংস্কার হয়নি।
অরক্ষিত এলাকার মানুষের দাবি, একেকটি দুর্যোগ তাদের জীবন-জীবিকা থমকে দিয়ে যায়। এর প্রধান কারণ বাঁধ ভেঙে ও ভাঙা বাঁধ দিয়ে লোকালয় পানি ঢোকে। পূর্ণিমা ও লঘুচাপের প্রভাবে দুই-তিনদিন এরকম সমস্যা হতে পারে বলে ধারণা তাদের। তাই ওইসব বাঁধ দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাশফাকুর রহমান বলেন, নদী-সাগর ঘেরা রাঙ্গাবালীর ভাঙা কয়েকটি বাঁধ ইতোমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ড সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে। এখনও কয়েকটি এলাকার বাঁধ ভেঙে আছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড ওইসব বাঁধ পরিদর্শন করেছে। আশা করছি, খুব দ্রুত বাঁধগুলো সংস্কারের উদ্যোগ নিবে পানি উন্নয়ন বোর্ড।


