২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ইং , ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ১২ই রজব, ১৪৪২ হিজরী

ডাকের অর্থ আত্মসাৎ : চারমাস জামিন চাইতে পারবেন না সরওয়ার

ডাকের অর্থ আত্মসাৎ

চারমাস জামিন চাইতে পারবেন না সরওয়ার

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলার আসামি চট্টগ্রাম ডাক বিভাগের কাউন্টার অপারেটর সরওয়ার আলম খানের জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এই আসামিকে আগামী চারমাস দেশের কোনো আদালতে জামিন আবেদন করা থেকে তাকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে জামিন আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন রেদওয়ান আহমেদ রানজিব। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।

এর আগে গত ২৪ জানুয়ারি একই মামলার আরেক আসামি চট্টগ্রাম পোস্ট অফিসের সহকারী পোস্ট মাস্টার নুর মোহাম্মদের ক্ষেত্রে এমনি আদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্টের একই বেঞ্চ।

জানা যায়, ৪৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর নুর মোহাম্মদ ও সরওয়ার আলম খানের বিরুদ্ধে মামলা হয়। এ মামলায় চট্টগ্রাম আদালতে তাদের জামিন আবেদন খারিজ হলে তারা হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন এবং কেন তাদের জামিন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে ওই বছরের ১০ ডিসেম্বর রুল জারি করেন হাইকোর্ট। এই রুল বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে বিচারাধীন।

এ অবস্থায় আগের রুলের তথ্য গোপন করে একই হাইকোর্ট বেঞ্চে জামিন আবেদন করেন নুর মোহাম্মদ। এবারও আদালত গত ২১ জানুয়ারি জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেন। বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।

এ সময় নুর মোহাম্মদের ক্ষেত্রে গত ২৪ জানুয়ারির আগে জারি করা দুটি রুলই খারিজ করে আদেশ দেন। এমতাবস্থায় আরেক আসামি সরওয়ার আলম খানের জামিন আবেদন নিয়ে গেলে আদালত তার ক্ষেত্রেও একই আদেশ দেন।

২০২০ সালের ২৬ আগস্ট রাতে নগরীর কোতোয়ালী থানার জিপিও কার্যালয়ে আকস্মিক অভিযান চালায় ডাক বিভাগের অভ্যন্তরীণ অডিট শাখার কর্মকর্তারা। এ অভিযানে গ্রাহকের প্রায় ৪৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চট্টগ্রাম জিপিও সঞ্চয় শাখার পোস্ট মাস্টার-৬ নুর মোহাম্মদ ও একই শাখার কাউন্টার অপারেটর সরওয়ার আলম খানকে ওই বছরের ১৭ নভেম্বর গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর নুর মোহাম্মদের কাছ থেকে ২১ লাখ ৪৯ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে ওই রাতেই তাদের কোতোয়ালী থানায় সোপর্দ করা হয়। এরপর তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি
Design & Developed BY ThemesBazar.Com