পাথেয় রিপোর্ট : তাবলীগ জামাত সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষদের কাছে একটি আস্থার প্রতীক। মুখে মুখে ইসলামের দাওয়াত নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে যায় তারা। কিন্তু বর্তমানে দাওয়াত ও তাবলীগ কঠিন অবস্থায় উপনীত। তাবলীগের বর্তমান সমস্যা নিরসনের উপায় জানার জন্যে মাওলানা দেলওয়ার হুসাইন সাইফীর মুখামুখি হয়েছলিাম পাথেয় টোয়েন্টিফোরের পক্ষ থেকে।
এ সময়ের তাবলীগ জামাত সম্পর্কে মা্ওলানা সাইফীর অভিমত জানতে চাইলে তিনি পাথেয় টোয়েন্টিফোরকে বলেন, বিশ্বব্যাপী ইসলামের শিক্ষা ও আদর্শ প্রচার করছে দাওয়াত ও তাবলীগ। সুতরাং তাবলীগ জামাত সম্পর্কে সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করে সবাইকে সমস্যার কীভাবে সমাধান করা যায় সে বিষয়ে সংশোধনী পরামর্শ করা উচিৎ উলামায়ে কেরামদের।
যারা অতি আবেগ দেখাচ্ছেন অথচ সময় লাগাননি তাদের বিষয়ে সাইফী বলেন, তাবলীগের ব্যাপারে যারা অতিউৎসাহী তাদেরকে ঠাণ্ডা মাথায় কাজ করতে হবে। আর রমজান মাস মুসলমানদের মাঝে ঐক্য তৈরি করে। তাই রমজানের মহব্বতে হলেও তাবলীগের মারকাজ কাকরাইল মসজিদে নিজেদের মধ্যকার বিভেদ ভুলে যান।
তাবলীগের মারকাজ কাকরাইলে একসাথে ইতেকাফ কারার আহ্বানও জানান তিনি।
তাবলীগের মধ্যকার সমস্যাগুলো নিরসন কী তাবলীগের মুরব্বীরা করবেন নাকি উলামায়ে কেরাম হস্তক্ষেপ করবেন? জানতে চাইলে সাইফী বলেন, আলেমগণের সহযোগিতা নিলে তো সমস্যা নেই।
ধরুন হযরত মাওলানা আহমদ শফী দা. বা-এর অবর্তমানে হাটহাজারী মাদরাসার মাওলানা বাবুনগরী, মাওলানা শেখ আহমদ ও মাওলানা আনাসের মাঝে জিম্মাদারি নিয়ে দ্বন্দ্ব দেখা দিলে তখন কি তারা নিজেরা সমধান করবেন নাকি বাইরে থেকে উলামায়ে কেরাম বা আওয়াম সমাধান করবেন? তখন মা্ওলানা সাইফী বলেন, যদি তারা সমাধান করতে সক্ষম হন তখন তারা নিজেরাই সমাধান করবেন, না হয় বাইরের উলামায়ে কেরাম সমাধান করবেন।
তাবলীগের সমস্যা-সঙ্কট সমাধানের জন্য বাইরের অন্যদের প্রয়োজন অনুভব করছেন কেন? জানতে চাইলে মাওলানা সাইফী বলেন, অবশ্যই তাবলীগের মেহনতওয়ালা সাথীরা যদি সমাধান করতে পারেন সেটা তো অনেক ভালো। তখন বাইরের কারোরই দরকার হবে না।


