১লা ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ , ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ , ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি

দিনাজপুরে ধানের মৌসুমেও চালের মূল্যবৃদ্ধি

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ‘ধান-চালের’ জেলা দিনাজপুরে বাজারে নতুন ধান ও চাল আসতে শুরু করেছে। এখন চালের দাম কমার কথা; কিন্তু উল্টো বাড়ছে। গত সাত দিনের ব্যবধানে দিনাজপুরে ৫০ কেজি চালের বস্তাপ্রতি দাম বেড়েছে ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত।

খুচরা ব্যবসায়ীরা জানালেন, সবচেয়ে বেশি বেড়েছে হাইব্রিড জাতের মোটা চালের দাম। এ চাল ছাত্রাবাসে বেশি চলে ও দরিদ্র মানুষেরা বেশি কেনে। ক্রেতারা বলছেন, চালের দাম বাড়ায় তাঁদের কষ্ট বেড়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, মূল্যবৃদ্ধিতে চাল বেচাকেনায় কিছুটা ভাটা পড়েছে।

মিলারদের ভাষ্য মতে, বাজারে এখনো পর্যাপ্ত হাইব্রিড ধান (মোটা) আসেনি। যতটুকু এসেছে, তা চিকন জাতের ধান। হাইব্রিড ধান পর্যাপ্ত এলে চালের দাম কমবে। শনিবার ও রবিবার বাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে।

বাজারে এখন হাইব্রিড (মোটা চাল) বিআর-১১ জাতের ৫০ কেজির প্রতি বস্তা চালের দাম দুই হাজার ২৫০ টাকা। এ ছাড়া ৫০ কেজির প্রতি বস্তা গুটি স্বর্ণা দুই হাজার ৪০০ থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকা, ব্রি-২৯ জাত দুই হাজার ৬০০ টাকা, সুমন স্বর্ণা দুই হাজার ৫০০ থেকে দুই হাজার ৬০০ টাকা, রঞ্জিত দুই হাজার ৫০০ টাকা, ব্রি-২৮ জাত তিন হাজার টাকা, মিনিকেট তিন হাজার ৩০০ থেকে তিন হাজার ৫০০ টাকা, বাসমতী তিন হাজার ৮০০ টাকা, নাজিরশাইল তিন হাজার ৮০০ টাকা, সিদ্ধ কাটারি প্রকারভেদে পাঁচ হাজার ৬০০ থেকে পাঁচ হাজার ৮০০ টাকা। এক সপ্তাহের মধ্যে প্রকারভেদে প্রতিটি চালের বস্তাপ্রতি (৫০ কেজির) দাম বেড়েছে ১৫০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত।

খুচরা বাজারে গুটি স্বর্ণা ৪৪ থেকে ৪৬ টাকা, আটাশ ৫৭ থেকে ৬০ টাকা, উনত্রিশ ৫২ থেকে ৫৫ টাকা, মিনিকেট ৬৪ থেকে ৭০ টাকা, নাজিরশাইল ৮০ টাকা, বাসমতী ৭৮ থেকে ৮২ টাকা, সিদ্ধ কাটারি ১০৪ থেকে ১১০ টাকা ও আতপ চাল প্রকারভেদে ৯৬ থেকে ১১৪ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

শেয়ার করুন


সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ১৯৮৬ - ২০২২ মাসিক পাথেয় (রেজিঃ ডি.এ. ৬৭৫) | patheo24.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com