পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য জায়গায় হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর (বিএমডি) তাদের বুলেটিনে জানিয়েছে, ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা বা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এছাড়া নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং গভীর রাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে।
বুলেটিনে আরও বলা হয়েছে, সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।
এদিকে স্বায়ত্তশাসিত গবেষণা সংস্থা বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেটরি টিম (বিডব্লিউওটি) জানিয়েছে, ২৮ ডিসেম্বর থেকে দেশের কিছু অংশে মৃদু (১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) থেকে মাঝারি (আট ডিগ্রি সেলসিয়াস) শৈত্যপ্রবাহের সঙ্গে তাপমাত্রা হ্রাস পাবে। যা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত চলতে পারে। তবে, উপকূলীয় অঞ্চলে এবং দূষিত শহরগুলোতে অন্যান্য এলাকার তুলনায় কম ঠাণ্ডা অনুভূত হতে পারে।
মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায় ১০.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়াও রাজারহাটে ১২.৮, ডিমলায় ১৩.৫, সৈয়দপুর ও রাঙ্গামাটিতে ১৪.০, রংপুরে ১৪.২, সীতাকুণ্ড ও কুতুবদিয়ায় ১৪.৬ এবং দিনাজপুরে ১৪.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। তাপমাত্রা কম থাকায় এসব এলাকায় শীতের তীব্রতা বাড়ছে। ভোর ও মধ্য রাতে কুয়াশাও পড়ছে।
এদিকে বিভাগীয় শহরগুলোর মধ্যে ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮.৮, রাজশাহীতে ১৬.৫, রংপুরে ১৪.২, ময়মনসিংহে ১৬.০, সিলেটে ১৬.২, চট্টগ্রামে ১৬.৫, খুলনায় ১৯.০ এবং বরিশালে ১৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা খেপুপাড়ায় ৩১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
ঢাকায় ৪.৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম। মঙ্গলবার সকালে এ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। এছাড়াও এ সময় সিলেটে ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
পশ্চিমাঞ্চলীয় নিম্নচাপটি হিমালয়ের পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত।
বিএমডির বুলেটিন অনুসারে, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ হিমালয়ের পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ ও এর কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার বাড়তি অংশ উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।


