নতুন চাল এলেও দাম কমেনি

নতুন চাল এলেও দাম কমেনি

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : আমন চাল বাজারে চলে এসেছে। চালের মজুদ পরিস্থিতিও ভালো। এর পরও কমছে না দাম। বাড়তি দামেই এখনো বিক্রি হচ্ছে চাল।

তিন সপ্তাহ ধরে আগের চেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে মুরগি, ডিম ও সবজি। গত সপ্তাহ থেকে মাছের দামও কিছুটা কম। তবে প্রায় সব ধরনের মসলাজাতীয় পণ্য ও আটা-ময়দা বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, বাড্ডা বাজার ও জোয়ারসাহারা বাজার ঘুরে এবং ক্রেতা-বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

বাজারে নতুন চাল এলেও মোটা চাল ব্রি-২৮ এখনো ৬২ থেকে ৬৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মিনিকেট ৭৫ থেকে ৮০ টাকা ও নাজিরশাইল ৮০ থেকে ৮৫ টাকা কেজি।

বাজার পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সম্ভাব্য বিশ্বমন্দাকে পুঁজি করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ধান-চাল মজুদ করছেন। এতে বাজারে নতুন চাল এলেও দাম কমছে না। এ জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট তদারকি সংস্থাগুলোকে এখন থেকে নজরদারি বাড়াতে বলেছেন তাঁরা।

রাজধানীর জোয়ারসাহারা বাজারের মেসার্স ভাই ভাই স্টোরের খুচরা ব্যবসায়ী মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘গত মাসের মাঝামাঝি থেকে বাজারে নতুন চাল এসেছে। পাইকারি বাজারে দাম না কমায় খুচরা পর্যায়ে আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে।’

কারওয়ান বাজারের ঢাকা রাইস এজেন্সির মালিক মো. সায়েম বলেন, ‘আমনের নতুন চালের প্রভাব এখনো পড়েনি। তবে আগামী সপ্তাহ থেকে চালের দাম কিছুটা কমতে পারে।’

রাজধানীর সবচেয়ে বড় চালের বাজার বাবুবাজারের পাইকারি চাল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘এবার ধানের দাম বাড়তি থাকার কারণেই বাজারে চালের দাম কমছে না। তবে কিছুদিনের মধ্যে নতুন চাল ব্যাপকভাবে প্রবেশ করবে, তখন চালের দাম কিছুটা কমতে পারে। ’ তিনি বলেন, ‘বাজারে চালের সরবরাহ পর্যাপ্ত।’

জোয়ারসাহারা বাজারে চাল কিনতে আসা ফরিদ উদ্দিন বলেন, ‘নতুন চাল আসার পরও চালের দাম কমছে না। গত মাসে এক বস্তা মিনিকেট চাল কিনেছিলাম তিন হাজার ৭০০ টাকায়, এখনো একই দাম। অথচ বাজারে ঘাটতি নেই চালের।’

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *