নারী নির্যাতন বন্ধে পর্দার বিধানের বিকল্প নেই
নারী নির্যাতন বন্ধে পর্দার বিধানের বিকল্প নেই : রেজাউল করীম
পাথেয় রিপোর্ট : নারী নির্যাতন বন্ধে ইসলামের পর্দাবিধানের কোনো বিকল্প নেই বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই। তিনি বলেছেন, ইসলাম ও ইসলামী শিক্ষা নিয়ে চতুর্মুখী ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত শুরু হয়েছে। শিক্ষানীতি পাশ করার পর থেকে ইসলামী শিক্ষার বিরুদ্ধে এক প্রকার যুদ্ধ শুরু হয়েছে। এ শিক্ষানীতি ও শিক্ষা আইনের মাধ্যমে ইসলামী শিক্ষার টুটি চেপে ধরার চেষ্টা চলছে। সে আলোকে বোরকার বিরুদ্ধে আইন পাশ করা হয়েছে।
পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, সরকার ইভটিজিং ও নারী নির্যাতন বন্ধ করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে, কিন্তু ইভটিজিং বন্ধ হয়নি বরং ইভটিজিং, নারী নির্যাতন, ধর্ষণ ও খুন সীমা ছাড়িয়ে গেছে। নারীদেরকে ইসলাম যে অধিকার দিয়েছে তা বাস্তবায়নেই কেবল নারী মুক্তি ফিরে আসতে পারে। পর্দার বিধান বাধ্যতামূলক করলে বন্ধ হতে পারে নারী নির্যাতন ও ইভটিজিং। তিনি সকলকে ইসলামী শিক্ষার আলোকে জীবন গঠনের আহ্বান জানান। পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, যত ইসলামী শিক্ষা টিকে থাকবে, মসজিদ মাদরাসা টিকে থাকবে, ততদিন পৃথিবী টিকে থাকবে। পীর সাহেব সকলকে ইসলামের সুমহান আদর্শে ফিরে আসার আহ্বান জাননা।
সোমবার বাদ জোহর নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জস্থ জামিয়া ইসহাকিয়া কারিমিয়া মাদরাসার খতমে বোখারী অনুষ্ঠানে বোখারী শরীফের দরস প্রদানকালে প্রাসঙ্গিক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক আহমদ আবদুল কাইয়ূম স্বাক্ষরিত এ প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কুরআন শিক্ষা বোর্ডের মহাপরিচালক আল্লামা নূরুল হুদা ফয়েজী। মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা সানাউল্লাহ নূরী এতে সভাপতিত্ব করেন। খতমে বোখারী অনুষ্ঠানে মাদরাসা অন্যান্য শিক্ষক, স্থানীয় উলামায়ে কেরাম, মাদরাসার কমিটির দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, যতদিন কুরআন সুন্নাহর ইলম বাকি থাকবে, মসজিদ-মাদরাসা থাকবে, ততদিন পৃথিবী ধ্বংস হবে না। এজন্য ইসলামী শিক্ষার সুতিকাগার মাদরাসাগুলোকে আরো সুন্দর ও সফলভাবে পরিচালনা করতে হবে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই দ্বীনের এই সুতিকাগার মাদরাসাগুলোকে আরও বেশি যত্নের সঙ্গে টিকিয়ে রাখার আহ্বান জানান।


