বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে সালমান ফারসীর ‘সুফলতলা গোরস্থান’

বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে সালমান ফারসীর ‘সুফলতলা গোরস্থান’

বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে সালমান ফারসীর ‘সুফলতলা গোরস্থান’

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২০-এ প্রকাশিত হয়েছে সালমান ফারসীর প্রথম উপন্যাস ‘সুফলতলা গোরস্থান’। দু’জন সাহসী তরুণের অনুসন্ধিৎসু মনের পদক্ষেপ নিয়ে শুরু এবং শেষ এই উপন্যাসের। উপন্যাসটি গোয়েন্দা ভিত্তিক। অন্যদিক থেকে চিন্তা করলে একে থ্রিলারও বলা যায়। ‘সুফলতলা গোরস্থান’ উপন্যাসটি পাওয়া যাচ্ছে বিবর্তন প্রকাশনীতে, ৪৫৭ নম্বর স্টলে। গ্রন্থটি প্রকাশ করেছে চতুর্দিক প্রকাশন।

উপন্যাস সম্পর্কে সালমান ফারসী বলেন, বাস্তব জীবনে আমরা নানান সমস্যা কিংবা হতাশার সম্মুখীন হই। আমরা পিছপা হই এক শ্রেণীর নিচু লোকেদের কারণে। অনেক পিছু হটে যাই। নিজেদের অবলা মনে করতে শিখি খুব সহজে। আমাদের আশেপাশে কিংবা একই শহরে বসবাস করে সততার চাদর পরে অসৎ কাজ করা লোকেরা। তাঁদের হাত থেকে রেহাই পেতে মিথ্যার পক্ষে নীরবতা দেখে বেঁচে থাকি আমরা। এ বাঁচা কোনো অংশে আমাদের স্বাধীনতার পরিচয় বহন করে না। বরং আমরা পরতন্ত্রের বোঝা আরোও শক্ত করি। কখনোও হয়তো ভালো মানুষের আগমনে আমাদের দুঃখ মুছে গিয়ে সুখ আসতে থাকে। কিন্তু এই সুখ আমরা নিজেরা আনতে পারিনা। আমাদের ব্যর্থতা এখানেই।

তিনি বলেন, সুফলতলা গোরস্থানের প্রধান চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করছে দুইজন তরুন। সদ্য তরুন হয়েছে তাঁরা। অন্যায়কে বন্দি করে সাধারণ মানুষকে শান্তিতে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু ট্রেন্ড প্রিয় এই দেশে সক্ষমতা দিয়ে টেকা যায় না। নতুন ট্রেন্ডের ভীড়ে পুরাতন সব হারিয়ে ফেলতে জানে জনগন। নিজেদের এমন অপরাধবোধের কারণেই হয়তো তাদের শান্তিতে বেঁচে থাকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। প্রশ্ন ওঠে তাঁদের জীবন মরণ নিয়ে। রিয়ান এবং জিদানের মতো দুইজন অসাধারণ তরুন এসব কিছুর সমাধান করে দেয়। বাঁচিয়ে দেয় আগামীর দেশ এবং প্রজন্মকে।

গোরস্থানের লাশ ব্যবসার মতো জঘন্য কাজকে তাঁরা তুলে ধরতে পারে দেশের কাছে, জাতির কাছে। লাশ ব্যবসা হয়ে উঠছিলো সুফলতলার ঐতিহ্য। জঘন্য ঐতিহ্যের প্রসারের পূর্বেই ধ্বংসের দিকে চলে যায় সেসব চক্র; যাদের পদতলে ঠাঁই পেয়ে বেঁচে আছে হাজারো মানুষ। সুফলতলা গোরস্থান উপন্যাসটিতে মূলত অন্যায়কে ধ্বংস করার দিকটি উল্ল্যেখ করা হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *