পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : শ্বেতাঙ্গ পুলিশের হাতে নিরস্ত্র কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষ জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াোলিস শহরে যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল, তার আগুন ছড়িয়ে পড়েছে অনেকগুলো অঙ্গরাজ্যে।
মিনিয়াোলিসের একজন পুলিশ তাকে আটকে রাখার জন্য ঘাড়ের ওপর চেপে বসে থাকার পর জর্জ ফ্লয়েড মৃত্যুবরণ করেন।
শনিবার (৩০ মে) আরো একটি উত্তপ্ত, সহিংস রাত্রি কাটানো পর, ১১ টি রাজ্যের গভর্নররা ন্যাশনাল গার্ডস মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেনI ৪টি রাত মোটামুটি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ প্রদর্শনের পর, মিনিয়াপোলিস ও সেইন্ট পল রাজ্যের বিক্ষোভ লুঠতরাজে রূপ নেয়।
মিনেসোটার গভর্নর বলেন, আমরা এখন পুরোপুরি হামলার মুখেI জর্জিয়া, কেনটাকি, ওহিও, উইসকনসিন, কলোরাডো, উটাহ ওয়াশিংটন, ক্যালিফর্নিয়া, টেনেসি , মিসৌরি এবং টেক্সাস রাজ্যের গভর্ণররা বিক্ষোভ আয়ত্ত আনতে ন্যাশনাল গার্ডসদের সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।
এসোসিয়েটেড প্রেস জানায়, শনিবার (৩০ মে) নাগাদ ১৪০০ লোককে গ্রেফতার করা হয়েছে। নিউ ইয়র্কে পর পর তিনদিন ধরে বিক্ষোভ ও গাড়িতে অগ্নি সংযোগ ঘটানো হয়। রাজধানী ডি সিতেও বিক্ষোভ চরম আকার ধারণ করেI প্রতিবাদকারীরা এক পর্যায়ে সিক্রেট সার্ভিস সদস্য ও পার্ক পুলিশ লক্ষ্য করে বোতল নিক্ষেপ করে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পেস এক্স রকেট উড্ডীন উপলক্ষে কেনেডি স্পেস সেন্টারে এসেছিলেন। এসব বিক্ষোভ সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি প্রতিটি আমেরিকান জনগণের কাছে বন্ধু ও মিত্র হিসাবে শান্তি ও সুবিচার আশা করছি, এবং যারা বিয়োগাত্মক ঘটনার সুযোগে হামলা, ডাকাতি ও লুটতরাজ চালাচ্ছেন তার প্রতি নিন্দা জ্ঞাপন করছি।
/এএ


