বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার কৌশল

বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার কৌশল

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : গরমের তীব্রতায় ছোটবড় সবার হাঁসফাঁস অবস্থা হয়। কখনও মেঘ কখনও বৃষ্টির এমন ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ সবাই একদণ্ড শান্তি খুঁজেন শরবতের গ্লাসে, পানির বোতলে কিংবা শসার টুকরোতে। এ সময় ফ্যান, পাখা ও এয়ার কন্ডিশনের বাতাস এনে দেয় প্রশান্তি।

সকাল গড়িয়ে দুপুর হতেই রোদের তীব্রতা বাড়তে থাকে। দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অসহ্য গরম অনুভূত হয়। হাওয়া–বাতাস নেই বললেই চলে। সন্ধ্যার পর অস্বস্তিকর গুমট হয়ে ওঠে পরিবেশ। আর রাতেও থাকে ভ্যাপসা গরম। কিন্তু এমন গরমেও বিদ্যুৎ ব্যবহারে হতে হবে সাশ্রয়ী। কারণ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জটিল প্রভাব পড়েছে আমাদের দেশেও। বিদ্যুৎ–ঘাটতি মোকাবিলায় এক ঘণ্টা করে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিং শুরু হয়েছে। তাই বিদ্যুৎ ব্যবহারে যেমন মিতব্যয়ী হতে হবে তেমনই কিভাবে বিদ্যুৎ কম ব্যবহার করেও গরমে আরামে থাকবেন জেনে নিন।

১. বাড়ি তৈরির সময় কিছু বিষয় লক্ষ রাখতে হবে। পশ্চিম দিকে রান্নাঘর, আর দক্ষিণ দিকে শোবার ঘর রাখার চেষ্টা করবেন। এতে আলো-বাতাস বেশি ঢোকে। যার জন্য বাতি ও পাখার ব্যবহার সীমিত করা সম্ভব হয়।
২. গরমে অনেকেই নিয়মিত এসি ব্যবহার করে থাকেন। নিয়মিত এসি সার্ভিসিং করিয়ে তাপমাত্রাও নির্ধারণ করে নিবেন। ঘুমানোর আগে টাইমার সেট করে রাখুন।
৩. সোলার লাইট বা সৌরবাতি ব্যবহার করার অভ্যাস গড়ুন। এতে বিদ্যুৎ কম ব্যবহার করতে পারবেন।
৪. বাড়ির জানালাগুলোতে রঙিন কাচ ব্যবহার না করে স্বচ্ছ কাচ লাগালে প্রাকৃতিকভাবে বেশি আলো পাবেন। দিনের বেলা রান্নাঘর ও বাথরুমে পর্যাপ্ত আলো থাকা সত্ত্বেও বাতি জ্বালানোর অভ্যাস বর্জন করুন।
৫. কাপড় ময়লা হলেই ওয়াশিংমেশিনে না দিয়ে বরং ধুয়ে ফেলুন। এরপর বাইরে রোদে দিয়ে শুকিয়ে নিবেন। এর ফলে বিদ্যুতের ব্যবহার কমবে।
৬. ব্লেন্ডার, এগ বিটার, ফুড প্রসেসর, টোস্টার, স্যান্ডুইচ মেশিন, জুসার ইত্যাদির ব্যবহার কমান। নিজের হাতে কাজগুলো করুন। এতে কায়িক পরিশ্রম হবে, শরীরও সুস্থ থাকবে। কারণ শরীর না খাটালে বা পরিশ্রম না করলে স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে যায়। এতে হৃদরোগ, ডায়াবেটিসসহ নানা রকম ক্যানসার হতে পারে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *