বিশ্বজুড়ে কমেছে করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত

বিশ্বজুড়ে কমেছে করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : বিশ্বজুড়ে করোনায় দৈনিক মৃত্যু ও নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে। গেল ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন সাড়ে নয়শোর বেশি মানুষ। একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা নেমেছে সাড়ে ৩ লাখে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে ফ্রান্সে। অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

শুক্রবার সকালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯৬২ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে অর্ধ শতাধিক। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৬৫ লাখ ৪৬ হাজার ৮৩৬ জনে।

একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৫০ হাজার ৪৩৯ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে ৩৫ হাজারের বেশি। এতে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২ কোটি ২২ লাখ ৪২ হাজার ৪১৯ জনে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে ফ্রান্সে। এই সময়ের মধ্যে দেশটিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৫১ হাজার ৩৬৬ জন এবং মারা গেছেন ৩৩ জন।

অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ২৪ ঘণ্টায় এই দেশটিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২৯ হাজার ৭১২ জন এবং মারা গেছেন ২০৪ জন।

জাপানে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪২ হাজার ১৭৩ জন এবং মারা গেছেন ১২৭ জন। ফিলিপাইনে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৫৩৬ জন এবং মারা গেছেন ৩৪ জন।

রাশিয়ায় নতুন করে ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন ৩৮ হাজার ৭৩৯ জন এবং মারা গেছেন ১০৯ জন। দক্ষিণ কোরিয়ায় নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ হাজার ৮৪৬ জন এবং মারা গেছেন ৪৬ জন।

ব্রাজিলে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৪৯ জন এবং নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৯ হাজার ৮৯৪ জন। ইতালিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৭ হাজার ৫২১ জন এবং মারা গেছেন ৩০ জন। তাইওয়ানে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৫৩ জন এবং সংক্রমিত হয়েছেন ৪৪ হাজার ৮৮০ জন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ২০২০ সালের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে একই বছরের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে সংস্থাটি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *