পাথেয় রিপোর্ট : বিশ্ব নন্দিত আলেম, তালীম ও তরবিয়তের প্রসিদ্ধ বুযুর্গ, দারুল উলুম দারাইন তার্কিসর গুজরাতের শায়খুল জামিআ আল্লামা আব্দুল্লাহ কাপদওয়ারী দীর্ঘদিন অসুস্থতার পর মঙ্গলবার ইন্তেকাল করেছেন।(ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)
মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর ভারতের গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে ও জমিয়তে উলামা হিন্দের বরাতে এ তথ্য জানা যায়।
এই সংবাদে বাংলাদেশ ভারত-আরববিশ্বসহ বিজ্ঞ আলেম ও মনীষাদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার মৃত্যুতে পরিবারের প্রতি দোআ, ধৈর্য ও দৃঢ়পদ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন শীর্ষ আলেমরা।
তার মৃত্যুতে ভারতে জমিয়তে উলাম হিন্দের সেক্রেটারী জেনারেল সাইয়্যিদ মাহমুদ মাদানী, জামিআ তীবি মদীনার ‘ফিকহুল ইসলামি ‘বিভাগের উস্তাদ শায়খ আমের বাহজাত, বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান শাইখুল হাদিস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ, ভারতের মাওলানা আসরারুল হক কাসেমী গভীর শোক জ্ঞাপন করেছেন।
মাওলানা আব্দুল্লাহ বিন ইসমাঈল প্যাটেল ১৯৩৩ সালের ২8 ডিসেম্বর ১১ রমজান ১৩২৫ হিজরী বার্মার মায়ানমার কেন্দ্রীয় অঞ্চলের হিহো নামে একটি শহরে জন্মগ্রহণ করেন, সেখানে তার পিতা ভারত থেকে একজন ব্যবসায়ী হিসাবে স্থানান্তরিত হন।
পরিবারটি ১৯৩৫ সালে ভারতে ফিরে আসেন এবং কপালোদড়া গ্রামে বসতি স্থাপন করেন যা মওলানা সাহেবের মাতৃমৃত্যু শহর। তার পৈতৃক বাসিন্দা ছিল জিতলী।কিন্তু বার্মায় কাপোদরাতে তার বাবা একটি বাড়ি কিনেছেন। সে হিসেবেই তিনি কাপদওয়ারী হিসেবে পরিচিত হন।
মওলানা আব্দূল্লাহ কাপোদরায় স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় প্রাথমিক শিক্ষা শুরু করেন। তারপর ১৯৪৪ সালে জামিয়া ইসলামিয়া তালিম আল-দিনাথ, দাভেল-এ তার শিক্ষা লাভের জন্য নাম নেন। এখানে তিনি ফার্সি এবং আরবি কোর্সের প্রথম দুই বছর অধ্যয়ন করেন, তারপরে তিনি দারুল উলূম দেওবন্দে পড়াশোনা চালিয়ে যান। তিনি সেখানে পূর্ণ তিন বছর থেকে পড়াশুনা করেন । তবে চতুর্থ বছরের মাঝামাঝি সময়ে খুব অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসার জন্য বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হন। পরের বছর তিনি দাভেলে ফিরে আসেন এবং সেখানে পড়াশোনা শেষ করে অবশেষে ১৯৫৩সালে স্নাতক সম্পন্ন করেন।
গ্রন্থনা : কাউসার মাহমুদ ও আদিল মাহমুদ
সূত্র : বাসিরত অনলাইন, ভারত, স্টার নিউজ, ভারত
সম্পাদনা : মাসউদুল কাদির


