পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : করোনাকালে বেড়েছে পুরুষের আত্মহত্যার হার। বিশেষজ্ঞরা বলছে, আয়-রোজগার না থাকায় হতাশা বা মানসিক অস্থিরতাই এর কারণ।
তথ্য বলছে, ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত পুরুষের আত্মহত্যার হার ৪৩ থেকে ৪৪ ভাগ থাকলেও বর্তমানে তা ৪৭ ভাগের বেশি।
গবেষণা বলছে, মানসিক অসুস্থতা, বিশেষ করে বিষন্নতা, ব্যক্তিত্ব ও আবেগের সমস্যা, মাদকাসক্তি আর সিজোফ্রেনিয়ায় যারা ভুগছেন, তাদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বেশি। পৃথিবীতে বছরে আট লাখ মানুষ আত্মহত্যা করে থাকেন। প্রতি ৪০ সেকেন্ডে ১ জন! বাংলাদেশে বছরে গড়ে ১০ হাজার জন আত্মহত্যা করে। পাশ্চাত্যে মধ্য বা শেষ বয়সী মানুষেরা একাকিত্বে ভোগেন, যার কারণে সেখানে ৪০ থেকে ৫০ বছর বয়সী একাকী পুরুষদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বেশি।
বিশেষ দিবসটিতে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ মো. ফারুক হোসেন বলেন, কোনো মানুষের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা লক্ষ্য করলে পরিবারের প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে তার সঙ্গে কথা বলা, তাকে সুযোগ দেয়া মনের কথা প্রকাশ করার। সে কারো সঙ্গে আবেগের প্রকাশ করতে পারলে বেশিরভাগ সময়ই স্বাভাবিক মানসিক অবস্থায় ফিরে আসে আর ভয়াবহ পরিণতি থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারে।
এদিকে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সামাজিক এ সমস্যা দূর করতে সরকার, সমাজ ও পরিবারকে দায়িত্ব নিতে হবে। বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে সবাইকে সচেতন করতে হবে।


