২৭শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১২ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ১৬ই জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি

ভোট দেওয়া আমাদের জাতীয় ও ধর্মীয় কর্তব্য : খালিদ সাইফুল্লাহ রহমানী

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ভারতের ২০টি প্রদেশের ৯১টি আসনে ১১ই এপ্রিল বৃহস্পতিবার শুরু হবে প্রথমধাপে লোকসভা নির্বাচন। লোকসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ড এর সেক্রেটারী মাওলানা খালিদ সাইফুল্লাহ রহমানী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক ভিড়িও বার্তা প্রচার করেন।

ভিডিও বার্তায় মাওলানা খালিদ সাইফুল্লাহ বলেন, আমাদের দেশের (ভারতের) প্রতিটি নাগরিকের জন্য ভোট দেয়া জাতীয় ও ধর্মীয় কর্তব্য। আঠারো বছরের উপরে যাদের নাম ভোটার লিস্টে অন্তর্ভূক্ত হয়েছে, চাই সে নারী হোক বা পুরুষ হোক প্রত্যেকেই নিজ ঘর-বাড়ী থেকে বের হয়ে ভোটকার্যে অংশগ্রহন করা আবশ্যক।

উল্লেখ্য, ভারতে বিশ্বের বৃহত্তম নির্বাচন শুরু হতে যাচ্ছে বৃহস্পতিবার। সাত দফার এবারের লোকসভা নির্বাচনে মোট ৫৪৩ আসনের মধ্যে প্রথম দফায় দেশটির ২০টি রাজ্যের মোট ৯১টি আসনে ভোটগ্রহণ করা হবে। লোকসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ ১১ এপ্রিল শুরু হয়ে শেষ হবে ১৯ মে। ফল প্রকাশ হবে ২৩ মে।

ভারতের ২৯টি রাজ্য ও ৭টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ভোটাররা এক মাসেরও বেশি ১৭তম লোকসভা নির্বাচনে ভোট দেবেন। নিজ নিজ দলের প্রধানসহ অন্য নেতারা কেন্দ্রের ক্ষমতা দখলের জন্য মরিয়া হয়ে প্রচার চালাচ্ছেন। ভারতীয় সংসদের নিম্নকক্ষ হিসেবে পরিচিত লোকসভার প্রতিনিধিরা প্রত্যক্ষভাবে জনগণ কর্তৃক নির্বাচিত হন।

তেলেঙ্গানার সতেরটি, আন্ধারা প্রদেশের পঁচিশটি, অরুণাচলে দুইটি, আসামের পাঁচটি , বিহারের চারটি, ছত্তিশগড়ের একটি, জম্মু ও কাশ্মীরের দুইটি, মহারাষ্ট্রের একটি, মেঘালয়ের একটি, মিজোরামের একটি, ওড়িশ্যায় চারটি, সিকিমে একটি, ত্রিপুরায় একটি, উত্তর প্রদেশের আটটি, উত্তরখন্ডে পাঁচটি, পশ্চিমবঙ্গে দুইটি, আন্ধামানে একটি ও লাক্স দ্বীপের একটি আসনে প্রথমধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
প্রসঙ্গত, ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের প্রবেশের আগে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের বেশ কিছু বিষয়ে নজর রাখতে হয়। সেগুলো হল-

১. সারা ভারতের ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) গ্রহণ ও অদলবদল করা।
২. নির্বাচন তারিখ যথাযথ উপায়ে বাছাই করতে হবে। ভোটের জন্য এমন একটি দিনকে বেছে নিতে হবে যেদিন কোন সম্প্রদায়ের উৎসব, পরীক্ষা, কৃষির মৌসুম বা চরম আবহাওয়া না থাকে।
৩. একটি ‘বিশেষ ধরনের’ অমোচনীয় কালির বিপুল পরিমাণ সরবরাহ নিশ্চিত করা, যা প্রতিটি ভোটারের আঙ্গুলের উপর প্রয়োগ করা হয়। যাতে কেউ একবারের বেশি ভোট দিতে না পারে।
৪. প্রতিটি দল এবং অসংখ্য স্বতন্ত্র প্রার্থীর জন্য প্রতীক বরাদ্দ করা যাতে ভোটাররা দ্রুত তাদের শনাক্ত করতে পারেন।

গ্রন্থনা : ওয়ালি উল্লাহ মাকনুন
সম্পাদনা : মাসউদুল কাদির
সূত্র : আসরে হাজির, দিল্লী

শেয়ার করুন


সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ১৯৮৬ - ২০২১ মাসিক পাথেয় (রেজিঃ ডি.এ. ৬৭৫) | patheo24.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com