আদালত প্রতিবেদক ● বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ ও যুগ্ম মহাসচিব মাহবুব উদ্দিন খোকনের বিরুদ্ধে নাশকতার আট মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেছে হাই কোর্ট। এর মধ্যে মওদুদ আহমদের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানার মামলা সাতটি আর মাহবুব উদ্দিন খোকনের একটি মামলা। মামলা বাতিলের আবেদনের শুনানি নিয়ে বুধবার বিচারপতি মো. মিফতাহ উদ্দীন চৌধুরী ও বিচারপতি জাফর আহমদের বেঞ্চ পৃথক আদেশে মামলাগুলোর কার্যক্রম স্থগিতের পাশাপাশি রুলও দিয়েছে। রুলে এসব মামলা কেন বাতিল করা হবে না, জানতে চাওয়া হয়েছে। নিজেদের আবেদনে মওদুদ ও খোকন নিজেরাই শুনানি করেন। সঙ্গে ছিলেন আব্দুলাহ আল মাহমুদ ও সাকিব মাহবুব। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মনিরুজ্জামান কবির। বিএনপি জোটের ডাকা হরতাল-অবরোধ চলাকালে নাশকতা ও গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে মওদুদের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় এসব মামলা হয়। অপরদিকে ২০১৫ সালে হরতাল-অবরোধ চলার সময় একই অভিযোগে মাহবুব উদ্দিন খোকনের বিরুদ্ধে পল্টন থানায় মামলা করে পুলিশ। মামলাটি নিম্ন আদালতে বিচারাধীন। হাই কোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে বলে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মনিরুজ্জামান কবির জানিয়েছেন। ব্যারিস্টার সাকিব মাহবুব বলেন, এ মামলায় ব্যারিস্টার খোকনকে আসামি করা হয়েছে।
কিন্তু তাঁর কাছ থেকে কোনো প্রকার নাশকতার আলামত পায়নি পুলিশ। এ মামলায় তিনি জামিনে রয়েছেন। ২০১৫ সালে হরতাল-অবরোধ চলাকালে রাজধানীর পল্টন থানায় নাশকতার অভিযোগে এ মামলা দায়ের করা হয়। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি বিএনপির হরতাল-অবরোধের সময় পল্টন থানা এলাকায় আসামিরা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করেন। এতে কয়েকজন হতাহত হন। পরে পল্টন থানার এসআই জিয়াউল হক বাদী হয়ে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবেদীন, যুগ্ম মহাসচিব মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ২০১৭ সালের ২৭ এপ্রিল পল্টন থানার এসআই দেবী কান্ত বর্মণ এসব আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জশিট) দাখিল করেন।


