মনোরম বারান্দায়

মনোরম বারান্দায়

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : এ সময়ের কর্মব্যস্ত নগরীতে অবিরত টেনশন কিংবা হতাশা ভুলে একটি নিরিবিলি পরিবেশে মন খুলে গল্প করতে কার না ভালো লাগে! দীর্ঘ যানজট ঠেলে কর্মক্ষেত্র কিংবা শিক্ষাঙ্গন থেকে ফিরছেন তো ঘেমে নেয়ে একাকার, পরিবারের কারও সঙ্গে খুনসুটি হয়েছে তো অভিমানে একসার। এমন সবক্ষেত্রে একটু হাত-পা ছড়ানোর জায়গা পেলে মনে যেন একটু প্রশান্তি আসে। মাঝে মাঝে প্রিয় মানুষটার খোঁজে একটু-আধটু উঁকিঝুঁকি, বহুদিন পরে আসা কাছের বন্ধু কিংবা আত্মীয়ের সঙ্গে জমানো গল্প, অবসরে প্রকৃতির আলোয় প্রিয় লেখকের গল্প-উপন্যাসে চোখ বুলানো ইত্যাদির জন্য বেছে নিতে পারেন আপনার খোলা বারান্দাটি।

রাতদিন বাইরের পৃথিবীর সঙ্গে আপনার সংযোগ স্থাপন করে বাড়ির খোলা বারান্দাটি। এছাড়া সকালবেলা বারান্দায় বসে ধোঁয়া ওঠা চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে যেমন নিজেকে সতেজ করা যায়, ঠিক তেমনি বিকাল বেলা বারান্দায় বসে উপভোগ করা যায় দুরন্ত বিকাল। তাছাড়া প্রিয়জনের সঙ্গে কথা বলার সুন্দর জায়গাও এ বারান্দা।

আবার গরমের দিন দুপুরে বারান্দার দোলনায় দোল খেয়েও জুড়ায় প্রাণ। তাই বারান্দা শুধু বাড়ির একটি অংশই নয়, এটি আনন্দেরও স্থান। সেজন্য বাড়ির অন্যঘরগুলোর মতো বারান্দাকেও সাজিয়ে তুলতে পারেন মনের মতো করে।

এ সময়ে বাড়ি তৈরির আগেই অনেকে বারান্দা নিয়ে ভাবছেন। কারণ, একচিলতে খোলা বারান্দা আপনাকে দিতে পারে বাড়তি অক্সিজেন কিংবা ক্লান্ত মনে এনে দিতে পারে ফুরফুরে সতেজতা। তাই বাড়ি তৈরির আগে বারান্দা নিয়ে ভাবা আসলেই জরুরি। আর এখন অনেকেই বাড়ির সৌন্দর্য বাড়াতে নানা নকশায় বারান্দাও তৈরি করছেন। সেই সঙ্গে বারান্দা সৌন্দর্য ও পরিবেশে ভিন্নতা আনতে যোগ করছেন নানা অনুষঙ্গ। চাইলে আপনিও উদ্যোগ নিতে পারেন নিজের বারান্দার সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে।

এছাড়া সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে গাছেরও জুড়ি নেই। তাই বারান্দায় টবে রাখতে পারেন নানা রকম বাহারি গাছ কিংবা ফুলগাছ। যেমন: ডেসিনা, সেনছিরিয়া, মিনি বট বনসাই, ফার্ন্ড ইত্যাদি। কিংবা ঝুলিয়ে রাখতে পারেন নানা রকম অর্কিড। এসব গাছ আপনার বারান্দায় আনবে নতুন রূপ। বসার জন্য বারান্দায় রাখতে পারেন বেতের চেয়ার। সঙ্গে থাকতে পারে ছোট দোলনা। তবে খেয়াল রাখুন, যাই করুন না কেন বারান্দার খোলামেলা পরিবেশটি যেন বদলে না যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *