পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : চীনে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে উইঘুর মুসলিম সম্প্রদায়ের বিবাহিত নারীদের শয্যাসঙ্গী করতে বাধ্য করা হচ্ছে। উইঘুর পুরুষরা চীনের আটক কেন্দ্রে বন্দি। এজন্য তাদের স্ত্রীদের বাসায় তদারকির জন্য যায় সরকারি কর্তারা। কখনও কখনও সরকারি কর্মকর্তাদের বাসায়ও ওই স্ত্রীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। উভয় সময়ই তাদের সঙ্গে বিবাহিত মুসলিম নারীদের একই বিছানায় থাকতে বাধ্য করা হয়।
বুধবার (৬ নভেম্বর) দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদনে চীনের উইঘুর মুসলিমদের উপর যৌন নির্যাতনের এ চিত্র উঠে এসেছে। প্রায় ১০ লাখ উইঘুর মুসলিমকে বন্দি করে রাখার অভিযোগ রয়েছে চীনের বিরুদ্ধে। বন্দিদের ওপর নিপীড়ন ও নির্যাতনের কারণে তীব্র সমালোচনার মুখে দেশটি। এর আগে নারীদের গর্ভপাত ঘটাতে বাধ্য করেছে চীনা কর্তৃপক্ষ।
এ সময় কেউ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। তারা এর চেয়েও আরও ভয়ংকর, বর্বর-পাশবিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন প্রতিনিয়ত। স্থানীয় মানবাধিকার গ্রুপ ও আইনজীবীরা দাবি করেছেন, এগুলো সাধারণ ঘটনা। সরকার যে ব্যাপক নির্যাতন চালায় তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মুসলমান নারীদের সন্তান জন্মদান ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়া।
দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট সূত্রে জানা যায়, চীনের জিনজিয়াং প্রদেশের উইঘুর সম্প্রদায়ের বিবাহিত নারীরা (যাদের স্বামীরা বন্দি) তাদের বাড়ি পরিদর্শন করতে সরকারি কর্মকর্তাদের ‘আমন্ত্রণ’।
সূত্র : দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট


