৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ , ১৫ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ , ৩রা রবিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি

রাজধানীতে এডিস মশার লার্ভা আগের চেয়ে বেড়েছে

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : দেশে ২০০০ সালে প্রথম ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। সে বছর সরকারি হিসাবে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল ৫ হাজার ৫৫১ জন রোগী ও মারা গিয়েছিল ৯৩ জন। এরপর থেকে গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত গত ২২ বছর ধরেই দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। এ সময়ের মধ্যে ডেঙ্গু পরিস্থিতি কখনো ঊর্ধ্বগতি ও কখনো নিম্নগতি রূপ নিয়েছে; কিন্তু কোনো বছর ও মাস ডেঙ্গু রোগীশূন্য ছিল না দেশ।

এ ২২ বছরের মধ্যে ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাবের রেকর্ড হয়েছে ২০১৯ সালে। সে বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৪ ও মারা গেছে ১৭৯ জন। হঠাৎ করেই ডেঙ্গু পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হলে সারা দেশে মানুষের মধ্যে ভয়াবহ উদ্বেগ দেখা দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় সরকারকে। চিকিৎসা দিতে গিয়ে ভীষণ বেগ পেতে হয় সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল কর্র্তৃপক্ষকে।

এরপর ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও প্রকোপ কমেনি। ২০০০ সালে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল ৫ হাজার ৫৫১ জন। চলতি ২০২২ সালের গতকাল ২৬ আগস্ট পর্যন্ত এ বছর রোগী ভর্তি হয়েছে ৫ হাজার ১৮৫ জন। ২০০০ সালে ডেঙ্গুতে মৃত্যু ছিল ৯৩ জন, এ বছর এখন পর্যন্ত মারা গেছে ১৯ জন।

এ দীর্ঘ সময়ে ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। বরং প্রতি বছরই এডিস মশার প্রজননস্থল ও লার্ভার পরিমাণ বাড়ছে। সরকারের কীটতাত্ত্বিক দল গত ২৪ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে এক জরিপ চালায়। সেখানে দেখা যায়, প্রায় ২৪ শতাংশ প্লাস্টিক ড্রাম মশার প্রজননস্থল, যা গত বছর ছিল ১৯ শতাংশ। পানি জমে থাকা মেঝের মধ্যে ২৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ প্রজননস্থল। গতবার যা ছিল ২০ দশমিক ২২ শতাংশ। এমনকি সর্বশেষ গত ১২-২২ আগস্ট যে জরিপ হয়, তাতেও আগের জরিপের চেয়ে এডিস মশার লার্ভা ও প্রজননস্থল কিছুটা বেশি পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে জরিপ দল।

এমনকি এ ২২ বছরে রাজধানী ও প্রধান শহরকেন্দ্রিক ডেঙ্গুর প্রকোপ ধীরে ধীরে সারা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ছড়িয়েছে। ২০১৬ সালে যেখানে ভর্তি রোগীর ৯৯ শতাংশই ছিল রাজধানীতে ও মাত্র ১ শতাংশ রোগী ছিল ঢাকার বাইরের; সেখানে গতকাল পর্যন্ত এ বছর ঢাকায় রোগীর ৮৩ শতাংশ ও ঢাকার বাইরে ১৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গত ২২ বছরের ডেঙ্গু রোগীর পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে ডেঙ্গুর এমন চিত্র পাওয়া গেছে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে ডেঙ্গু ‘স্থায়ী রূপ’ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন সরকারি ও বেসরকারি ডেঙ্গু বিশেষজ্ঞ ও কীটতত্ত্ববিদরা।

এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের লাইন ডিরেক্টর ও মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ডেঙ্গু তো স্থায়ী রূপই নেবে। যেসব দেশে একবার ঢুকবে, সেখানেই স্থায়ী রূপ নেবে। সুতরাং বাংলাদেশেও প্রতি বছর ডেঙ্গু হবে, এটাই স্বাভাবিক। যারা মশা নিয়ন্ত্রণ করেছে, তাদের ওখানে বেশি হচ্ছে না। সিঙ্গাপুরের মতো দেশও ডেঙ্গুকে নির্মূল করতে পারেনি। এগুলো থাকবেই। এগুলোকে নিয়েই আমাদের চলতে হবে।’

একইভাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এডিস মশার জরিপ দলের সদস্য এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ স্থায়ী হয়ে গেছে। ডেঙ্গু যখন কোনো একটা দেশে আসে, সেটাকে একেবারে বন্ধ করে দেওয়ার কোনো সুযোগ থাকে না। পৃথিবীর যেসব দেশে ডেঙ্গু একবার ঢুকেছে, সেসব দেশ থেকে ডেঙ্গু একেবারে নির্মূল হয়ে যায়নি। তবে ডেঙ্গুকে নিয়ন্ত্রণে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণই মূল কাজ। এটা রাখতে পারলেই সফলতা।’

প্রাদুর্ভাব শুরুর ৩ বছরে রোগী ও মৃত্যু বেশি ছিল : ২০০০ সালে দেশে প্রথমবারের মতো ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়। এরপর টানা তিন বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যু ও রোগীর সংখ্যা বেশি ছিল। ২০০১ সালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয় ২ হাজার ৪৩০ ও মারা যায় ৪৪ জন। পরের বছর সে সংখ্যা আরও বেড়ে রোগী ভর্তি হয় ৬ হাজার ২৩২ ও মারা যায় ৫৮ জন।

প্রকোপ কম ছিল ৫ বছর : ২০০৭ থেকে ২০১৪ সালÑ আট বছরের মধ্যে পাঁচ বছর ডেঙ্গুর প্রকোপ সবচেয়ে কম ছিল। ২০০৭ সাল থেকে দেশে ডেঙ্গু রোগী কমতে থাকে। সে বছর হাসপাতালে ভর্তি হয় ৪৬৬ জন। ২০০৯ সালে ৪৭৪, ২০১০ সালে ৪০৯, ২০১২ সালে ৬৭১ ও ২০১৪ সালে ৩৭৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়। এ পাঁচ বছরের মধ্যে শুধু ২০১২ সালে এক রোগীর মৃত্যু হয়। বাকি তিন বছরের কোনো তথ্য দিতে পারেনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর পরের তিন বছরের মধ্যে শুধু ২০১৫ সালে রোগীর সংখ্যা বেশি ছিল। সে বছর হাসপাতালে ভর্তি হয় ২ হাজার ৬৭৭ ও মারা যায় ৬ জন। বাকি দুই বছর রোগীর সংখ্যা কম থাকলেও মৃত্যু কিছুটা বেশি ছিল। ২০১৬ সালে রোগী ভর্তি হয় ৩৭ ও মারা যায় ১৪ জন এবং ২০১৭ সালে রোগী ভর্তি হয় ১১৬ ও মারা যায় ৮ জন।

শেষ ৫ বছর ঊর্ধ্বগতি : ২০১৮ থেকে এখন পর্যন্ত গত পাঁচ বছর ধরে ডেঙ্গুর প্রকোপে কিছুটা ঊর্ধ্বগতি লক্ষ করা যাচ্ছে। এ পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ আক্রান্তের বছর ছিল ২০১৯ সাল। বাকি চার বছর ডেঙ্গুর ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত ছিল। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি রোগী ছিল ২০২১ সালে ২৮ হাজার ৪২৯ ও মারা যায় ১০৫ জন। এ চার বছরের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রোগী ছিল ২০১৮ সালে ১০ হাজার ১৪৮ ও মারা যায় ২৬ জন। সবচেয়ে কম রোগী ছিল ২০২০ সালে ১ হাজার ৪০৫ ও মারা যায় ৭ জন। এ বছর গতকাল পর্যন্ত ভর্তি হয়েছে ৫ হাজার ১৮৫ ও মারা গেছে ১৯ জন।

ছড়িয়ে পড়েছে ঢাকার বাইরেও : স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গত সাত বছরের ডেঙ্গু রোগীর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, একসময় রাজধানীকেন্দ্রিক ডেঙ্গু এখন ঢাকার বাইরেও ছড়িয়ে পড়েছে। ২০১৬ সালে দেশে ডেঙ্গু রোগীর ৯৯ শতাংশই ছিল ঢাকায় এবং মাত্র ১ শতাংশ ছিল ঢাকার বাইরে। এখন রোগীর ৮৩ শতাংশ ঢাকায় ও ১৭ শতাংশ ঢাকার বাইরে। ২০১৭ সালে ঢাকায় রোগী ছিল ৯৬ শতাংশ ও ঢাকার বাইরে ৪ শতাংশ। পরের বছর ২০১৮ সালে শতভাগ রোগীই ছিল ঢাকায়। কিন্তু ২০১৯ সালে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ডেঙ্গু রোগীর বছরে ঢাকায় রোগী ছিল ৫১ শতাংশ ও ঢাকার বাইরে ৪৯ শতাংশ। এরপর থেকেই ঢাকার বাইরে রোগী বাড়তে থাকে। ২০২০ সালে ঢাকায় রোগী ছিল রোগীর ৮৭ শতাংশ ও ঢাকার বাইরে ১৩ শতাংশ এবং ২০২১ সালে ঢাকায় রোগী কমে দাঁড়ায় ৮৩ শতাংশে ও ঢাকার বাইরে বেড়ে হয় ১৭ শতাংশ। এ বছর এরই মধ্যে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে রোগী গত বছরের সমান দাঁড়িয়েছে। বাকি চার মাসে ঢাকার বাইরে রোগী আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এবার ক্ল্যাসিক ডেঙ্গু রোগী বেশি : এ বছর এখন পর্যন্ত রাজধানীতে সবচেয়ে বেশি ৯৪৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এ হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. নিয়াতুজ্জামান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এবার এখানে ডেঙ্গুতে মৃত্যু নেই বললেই চলে। ক্ল্যাসিক ডেঙ্গু রোগী বেশি। হেমোরেজিক ও শকসিন্ড্রোম ধরনের ডেঙ্গু রোগী কম। হাতব্যথা, গা-ব্যাথা, জয়েন্ট ফুলে যাওয়া এ ধরনের সাধারণ উপসর্গ নিয়ে রোগীরা আসছে।’

এ কর্মকর্তা রোগীদের পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘এ হাসপাতালে রাত ১০টা পর্যন্ত ডেঙ্গু টেস্ট হয়। সুতরাং রোগীরা সর্দিজ¦র হলেও যেন নিজেরা ফার্মেসির ওষুধ না খেয়ে দয়া করে জরুরি বিভাগে চলে আসেন। এখানে সার্বক্ষণিক ডাক্তার আছেন। একেবারেই শেষ মুহূর্তে এলে তখন কিছু করার সুযোগ কম থাকে।’

মধ্য সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুর পিক : অধ্যাপক কবিরুল বাশার দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ডেঙ্গুর একটা ট্রেন্ড বা সিজনাল প্যাটার্ন আছে। সেখানে দেখা যায়, কোনো বছর আগস্টে বেশি হয়, কোনো বছর সেপ্টেম্বরে বেশি হয়। ২০০০ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত সেই ট্রেন্ডেই চলছে। এবার আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিনই ডেঙ্গু বাড়তে পারে। মধ্য সেপ্টেম্বরের পর থেকে হয়তো কমা শুরু করবে।’

এ কীটতত্ত্ববিদ বলেন, ‘যেহেতু সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুর একটা পিক সিজন আছে, সেজন্য এ সময়টা মানুষ যেন সতর্ক থাকে। বিশেষ করে মশারির ভেতরে থাকা, ডেঙ্গু রোগী যদি কোনো বাড়িতে থাকে তাকে মশারির ভেতরে রাখা, এডিস মশার প্রজনন হতে পারে, এমন পাত্র যেন কোথাও না রাখা হয়Ñ এটা সাধারণ নাগরিকদের জন্য পরামর্শ। আর সিটি করপোরেশনের জন্য পরামর্শ হলো, যেসব এলাকায় ডেঙ্গু রোগী আছে, সেসব এলাকার ওই বাড়িগুলোর ঠিকানা সংগ্রহ করে, তার চতুর্দিকে স্প্রে করে এডিস মশাগুলোকে মেরে ফেলতে হবে। কোথাও যেন এডিস মশার প্রজনন না হয়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।’

আগস্টে এ বছরের সর্বোচ্চ রোগী : গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৬৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ঢাকায় ভর্তি হয়েছে ৬৭ ও ঢাকার বাইরে ১ জন। এ নিয়ে এ বছর দেশে রোগী ভর্তি হলো ৫ হাজার ১৮৫ জন। এ বছর সর্বোচ্চ রোগী ভর্তি হয়েছে এ মাসেই। গত ২৬ দিনে রোগী ভর্তি হয়েছে ২ হাজার ৫২৫ জন, যা মোট রোগীর অর্ধেক। এর আগে গত জুলাইয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫৭১ জন রোগী ভর্তি হয়েছিল।

সমন্বিত উদ্যোগ চায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর : এ ব্যাপারে অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন বলেন, ‘ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসায় স্বাস্থ্য বিভাগের কাজ স্বাস্থ্য বিভাগ করে যাচ্ছে। কিন্তু শুধু স্বাস্থ্য বিভাগের কাজ দিয়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব অন্য বিভাগের। মশা ও মশার ডিম থাকবে কি না এসব দেখবে মূলত পরিবেশ মন্ত্রণালয়। কোন জায়গায় কীভাবে অবকাঠামো করবে, সেখানে যেন এডিস মশা ও মশার প্রজননস্থল না থাকে, এডিস মশার লার্ভা যদি জন্ম নেয়, সেটার জন্য ইন্টারভেনশন থাকা, এসব ডিম মারার জন্য কোনো ব্যবস্থা নেবে কি নাÑ পরিবেশ মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকার বিভাগ এসব কাজের পরিকল্পনা করবে। তাদের সঙ্গে অতিরিক্ত হিসেবে সিটি করপোরেশন কাজ করবে। তখন এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ হবে। ডেঙ্গু কমে যাবে।’

এডিস মশা নিয়ন্ত্রণই মূল কাজ : অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, ‘শুধু এডিস মশার প্রজনন হলেই ডেঙ্গু রোগ হবে না। ডেঙ্গু রোগী বাড়ে জ্যামিতিক হারে। একজন ডেঙ্গু রোগী থেকে চারজন আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যদি এডিস মশা না থাকে, মশা কামড়ানোর সুযোগ না পায়, তাহলে রোগী কমে আসবে। তাই এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের মূল কাজ।’

এ ব্যাপারে ডা. নিয়াতুজ্জামান বলেন, ‘ব্যক্তিগত পর্যায়ে স্বাস্থ্য সচেতনতা বেশি দরকার। পরামর্শ হলো বাড়ির আঙিনা, আশপাশে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন। পানি জমতে দেবেন না। সকাল-সন্ধ্যা শিশু ও বয়স্ক মানুষকে মশারির ভেতরে রাখুন।’

শেয়ার করুন


সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ১৯৮৬ - ২০২২ মাসিক পাথেয় (রেজিঃ ডি.এ. ৬৭৫) | patheo24.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com