রাম মন্দির নির্মাণ আমার স্বপ্ন :  উমা ভারতী

রাম মন্দির নির্মাণ আমার স্বপ্ন : উমা ভারতী

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : রাম মন্দির নির্মাণ আমার স্বপ্ন বলে মন্তব্য করে ভারতের কেন্দ্রীয় পানিসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী ও বিজেপি’র সিনিয়র নেত্রী উমা ভারতী বলেছেন, আমি রাম জন্মভূমি আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলাম। এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক মামলার শুনানি এখনো চলছে, এতে আমি গর্ববোধ করি। রাম মন্দির নির্মাণ আমার স্বপ্ন। এজন্য আমার পক্ষ থেকে যে পদক্ষেপ নেয়ার প্রয়োজন আমি তা করতে প্রস্তুত।

এর আগে উমা ভারতী রাম জন্মভূমি নিয়ে তাঁর পুরোনো দিনের আন্দোলনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, রাম মন্দির আন্দোলনে আমি অংশ নিয়েছিলাম। আমি আমার কাজ করেছি এবার সেখানে গ্র্যান্ড মন্দির নির্মাণ দেখতে চাই। তিনি ১৯৯০ সালে রাম মন্দির আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন। গতবছর রাম মন্দির নির্মাণ প্রসঙ্গে উমা ভারতী বলেছিলেন, এটা আমার বিশ্বাস ও গর্বের বিষয় এবং এজন্য জেলে যেতে হলেও যাব, ফাঁসিতে চড়তে হলেও যাব।

এদিকে আজ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং বলেছেন, রাম মন্দির নির্মাণ নিয়ে রাজ্যসভার এমপি রাকেশ সিনহা প্রাইভেট মেম্বার বিল আনতে চলেছেন। কংগ্রেস এবং অন্য দল এ নিয়ে কিভাবে এগিয়ে আসে সেটিই দেখতে হবে। এরসঙ্গে কোটি কোটি হিন্দুদের সম্মান জড়িয়ে আছে। এজন্য রাম মন্দির নির্মাণে কেউ বাধা দিতে পারবে না।

অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পি পি চৌধুরী বলেছেন, রাম মন্দির নির্মাণ হওয়া উচিত। এসংক্রান্ত মামলা সুপ্রিম কোর্টে আছে, আমরা চাই দ্রুত ওই মামলার নিষ্পত্তি হোক। আমার মতে সুবিচারে দেরী হলে এ নিয়ে আইন তৈরি করা যেতে পারে।

৪ নভম্বের দিল্লির তালকোটরা স্টেডিয়ামে সাধু-সন্তদের দু’দিনের ‘ধর্মাদেশ’ কর্মসূচি শেষ হয়েছে। এখানে স্বামী রাম ভদ্রাচার্য বলেন, ‘সরকার যদি ২০১৯ সালের নির্বাচনের আগে রাম মন্দির নির্মাণে ব্যর্থ হয় তাহলে ভগবান ওঁদেরকে সাজা দেবেন। তিনি বলেন, রাম মন্দির অধ্যাদেশ এনে হতে পারে, অথবা সম্প্রিতির পরিবেশের মধ্যে হতে পারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে এবং আমাদের ধৈর্য নষ্ট হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, বাবরী মসজিদ-রাম জন্মভূমি বিতর্ক মামলা বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন রয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও আসন্ন পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন ও ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের মুখে রাম মন্দির নির্মাণকে কেন্দ্র করে আরএসএস ও বিজেপি নেতাদের একাংশের বিভিন্ন মন্তব্যে জাতীয় রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *