পাথেয় রিপোর্ট : শরীয়তপুরে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুই যুবক নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি নিহতরা আন্ত:জেলা ডাকাত দলের সদস্য। গতকাল রোববার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটছে বলে জানা যায়।
নিহতরা হলেন-ডাকাত সর্দার জাহাঙ্গীর ও রাসেল হাওলাদার। জাহাঙ্গীরের বাড়ি মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলায় এবং রাসেলের বাড়ি মাদারীপুর সদর উপজেলায়। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতি মামলাসহ অন্য মামলা রয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
এ ব্যাপারে পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মনির উজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার দিবাগত রাতে পুলিশ সদর উপজেলার দক্ষিণ দেওভোগ এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় ডাকাত দলের সদস্যরা টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে ডাকাত দলের সর্দার জাহাঙ্গীর আকন ও সদস্য রাসেল হাওলাদার ঘটনাস্থলে নিহত হয়। পুলিশ নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
তিনি জানান, এ ঘটনায় তিনজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তাঁরা হলেন কনস্টেবল রাসেল, মামুন ও উপপরিদর্শক সোহাগ মিয়া। তিনজনকে সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শুটার , তিনটি চায়নিজ কুড়াল , আটটি রামদা, ছোরা দুটি, ককটেল নয়টি এবং একটি তালা কাটার যন্ত্র পায় পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে দুটি মামলা করবে বলেও জানান মনিরুজ্জামান।
এদিকে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আশরাফ উদ্দিন (৩০) নামের এক ‘মাদক ব্যবসায়ী’ নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে বাজিতপুর উপজেলার পিরিজপুর ইউনিয়নের উজানচর বিলেরপাড়ে এ ঘটনা ঘটে। আশরাফ উদ্দিন ভৈরব উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের মানিকদী দক্ষিণপাড়া এলাকার বাচ্চু মিয়ার ছেলে।
পুলিশ জানায়, মাদক কেনাবেচার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ আগে থেকে বাজিতপুরের পিরিজপুর ইউনিয়নের উজানচর এলাকায় অবস্থান নেয়। রাত দেড়টার দিকে আনুমানিক ৬-৭ জন মাদক ব্যবসায়ীকে দেখে পুলিশ থামতে বলে। এ সময় মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে আশরাফ উদ্দিন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় এবং অন্যরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে একটি শর্টগান, ৫ রাউন্ড কার্তুজ, দু’টি রামদা, ১০০ পিস ইয়াবা ও ১৫ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, নিহত আশরাফ ডাকাতি ও মাদক ব্যবসা করত। তার নামে ভৈরব থানা ও নরসিংদী জেলার বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতির মামলা রয়েছে।


