১১ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ , ২৭শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ , ১২ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি

সংবাদ শিরোনাম :

শুক্রবার ভিত্তিক ‘হজ্জে আকবার’ বলতে আলাদা কিছু নেই : আল্লামা মাসঊদ

শাইখুল ইসলাম আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ
শাইখুল ইসলাম আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : শুক্রবার হলেই নয়, বরং যেকোনো আরাফাতের দিনকেই হজ্জে আকবার বলা হয় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামা ও বেফাকুল মাদারিসিদ্দীনিয়া বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান, শোলাকিয়া ঈদগাহের গ্র্যান্ড ইমাম, শাইখুল ইসলাম আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ।

তিনি বলেন, কেবল শুক্রবার আরাফাতের দিন হলে সেই হজ্জকে ‘হজ্জে আকবার’ বলা যাবে না। এটা ভুল বিশ্বাস। কুরআন-হাদীসে এর কোনো ভিত্তি নেই। যেকোনো আরাফাতের দিনকেই হজ্জে আকবার বলা হয়, আর শুক্রবার ছাড়াও হজ্জ হয়, আরাফা হয়। এ ব্যাপারে সবাই একমত যে, কুরআন শরীফে মূলত ‘ওমরা’ বা ছোট হজ্জের বিপরীতে বছরে একবার হওয়া হজ্জকে ‘হজ্জে আকবার’ বা বড় হজ্জ বলা হয়েছে।

শুক্রবার (৮ জুলাই) ইকরা ঝিল মসজিদ কমপ্লেক্সে জুমার বয়ানে এসব কথা বলেন শাইখুল ইসলাম আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ।

এ বছরের হাজী সাহেবগণ দুটো ফজিলত লাভ করবেন মন্তব্য করে শোলাকিয়া ঈদগাহের গ্র্যান্ড ইমাম বলেন, ইসলামে শুক্রবারের বিশেষ ফজিলত আছে। সেই হিসেবে এ বছর যারা হজ্জ করবেন তারা দুটো ফজিলত পাবেন। একটি হলো আরাফার দিনের ফজিলত, অন্যটি হলো শুক্রবারের ফজিলত।

কোরবানীর মাসআলা-মাসায়েল জানার প্রতি আহ্বান করে আল্লামা মাসঊদ বলেন, কোরবানী সংক্রান্ত এমন অনেক মাসআলা আছে, যেগুলো না জানলে কোরবানীই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই কোরবানী সংক্রান্ত জরুরী মাসআলাসমূহ কোনো হকপন্থী আলেমের কাছ থেকে জেনে নিতে হবে।

আইয়ামে তাশরীকের ব্যাপারে তিনি বলেন, আইয়ামে তাশরীকের দিন তথা ৯ই যিলহজ্জ ফজর থেকে ১৩ই যিলহজ্জ আসর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামাযের পর একবার তাকবীরে তাশরীক তথা— ‘আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর, ওয়া লিল্লাহিল হামদ’ পাঠ করতে হবে। ৯ তারিখের আগে শরীয়তের হুকুম হিসেবে এটা পাঠ করা যাবে না। তবে শুধু যিকির হিসেবে পাঠ করলে কোনো সমস্যা নেই, সওয়াব পাওয়া যাবে।

কোরবানীর পশুর চামড়া মাদরাসায় দান করলে দুটো সওয়াব পাওয়া যাবে উল্লেখ করে শাইখুল ইসলাম আল্লামা মাসঊদ বলেন,
কোরবানীর পশুর চামড়া চাইলে আপনি প্রসেসিং করে নিজে ব্যবহার করতে পারেন। তবে যদি চামড়া বিক্রি করেন, তাহলে সেই টাকা আপনার জন্য হালাল হবে না। কোনো গরীব-মিসকিনকে দিয়ে দিতে হবে। সেক্ষেত্রে দীনের ইলম চর্চা করা মাদরাসার নির্দিষ্ট খাতে তা দান করলে আপনি দ্বিগুণ সওয়াব পেতে পারেন। তাই আমি আহ্বান জানাবো, কোরবানীর পশুর চামড়া বা তার মূল্য আপনারা মাদরাসায় দান করবেন।

শেয়ার করুন


সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ১৯৮৬ - ২০২২ মাসিক পাথেয় (রেজিঃ ডি.এ. ৬৭৫) | patheo24.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com