নিজস্ব প্রতিবেদক ● মন্ত্রিসভায় রদবদল এবং কয়েকজন নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ হওয়ায় সংসদ অধিবেশনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর কাজের জন্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রীদের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করেছে সরকার। দশম জাতীয় সংসদ অধিবেশনের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর জন্য মন্ত্রী এবং তার অনুপস্থিতে বিকল্প মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রীদের দায়িত্ব বণ্টন করে রোববার আদেশ জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
এতে বলা হয়েছে, ‘দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং বিকল্প দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রীদের অনুপস্থিতে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এবং তার অনুপস্থিতে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম জাতীয় সংসদে নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রশ্নোত্তর প্রদান এবং সংসদ সম্পর্কিত কার্যাদি সম্পাদন করবেন’।
গত ৩ জানুয়ারি নতুন তিন মন্ত্রী ও এক প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে দফতর বণ্টনের পাশাপাশি পুরনো চারজনের দায়িত্ব বদলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেননকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে বিমান ও পর্যটনমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয় লক্ষ্মীপুরের এমপি এ কে এম শাহজাহান কামালকে।
পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এবং পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদের মধ্যে দফতর বদলে দেন প্রধানমন্ত্রী।
মন্ত্রী হিসেবে নতুন শপথ নেয়া মোস্তাফা জব্বারকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং পদোন্নতির পর নারায়ণ চন্দ্র চন্দকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়। আর ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমকে পাঠানো হয় তথ্য মন্ত্রণালয়ে। অন্যদিকে নতুন প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দেয়া হয় কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের দায়িত্ব।
সংসদে কোনো মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী তার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত প্রশ্নোত্তরের জবাব দেবেন, তা আগে থেকে নির্ধারণ করে দেয়া হয়। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের অনুপস্থিতে কে জবাব দেবেন বা তার পক্ষে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংসদে উত্থাপন করবেন তা-ও নির্ধারিত থাকে।


