৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ২৮শে রবিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি

স্মৃতিশক্তি বাড়াতে এই খাবারগুলো খান

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : মনে রাখতে না পারা বা ভুলে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে অনেকের ক্ষেত্রে। অনেক সময় দেখা যায়, কিছুই মনে রাখতে পারছেন না বা প্রয়োজনের সময় নির্দিষ্ট তথ্যটি মনে করতে পারছেন না। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ভুলে যাওয়ার রোগ দেখা দিতে পারে। অনেকের আবার বয়সের আগেই এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। এটি হতে পারে জীবনযাপনের অনিয়মের কারণে। অ্যালজাইমার্স, ডিমেনশিয়ার মতো অসুস্থতাও দেখা দিতে পারে এই ভুলে যাওয়ার ধারাবাহিকতায়। ভুলে যাওয়ার রোগ সারাতে কাজ করে কিছু খাবার। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

নিয়মিত বাদাম খান

বাদাম খেতে কে না পছন্দ করেন! আমাদের স্মৃতি ধরে রাখতে সাহায্য করে অতি পরিচিত এই ফল। প্রতিদিন অন্তত ১০-১২টি বাদাম খান। অন্যান্য শুকনো ফল বেশি খেলে বাদামের পরিমাণ কমিয়ে দিতে পারেন। এটি প্রতিদিনের নাস্তায় যোগ করতে পারেন। এমনকী গুঁড়া করে দুধের সঙ্গে মিশিয়েও খেতে পারেন। নিয়মিত বাদাম খেলে তা আপনার স্মৃতিশক্তিকে অনেকটাই তীক্ষ্ণ করে তুলবে।

ব্রোকলি খাবেন যে কারণে

মস্তিষ্কের জন্য উপকারী একটি খাবার হলো ব্রোকলি। এতে আছে ওমেগা -৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ফ্ল্যাভোনয়েডস, ভিটামিন-ই, আয়রন জাতীয় পুষ্টি। মস্তিষ্কের গতি বাড়াতে এবং দক্ষতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে ব্রোকলি। যদি ভুলে যাওয়ার রোগ থেকে মুক্ত থাকতে চান তবে নিয়মিত পাতে রাখুন ব্রোকলি। শিশুকেও নিয়মিত খেতে দিন সবুজ রঙের এই উপকারী সবজি।

আখরোট মস্তিষ্কের জন্য উপকারী

আখরোট খেতে যেমন সুস্বাদু তেমন উপকারীও। এটি আমাদের মস্তিষ্ক ভালো রাখতে বেশ কার্যকরী। এতে আছে নানা ধরনের পুষ্টি যা স্মৃতিশক্তি বাড়াতে কাজ করে। এটি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায় অনেকটাই। এতে আছে ভিটামিন ই, তামা ও ম্যাঙ্গানিজ। যা ভুলের যাওয়ার প্রবণতা অনেকটাই কমিয়ে আনে।

কুমড়ো বীজ ফেলে দেন?

কুমড়ো বীজ ফেলে না দিয়ে তা খাওয়ার অভ্যাস করুন। কারণ এটি ভীষণ উপকারী। স্মৃতিশক্তি বাড়াতে কাজ করে কুমড়োর বীজ। এটি মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। এতে থাকে দস্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা ভুলে যাওয়ার প্রবণতা রোধ করে। পাশাপাশি উন্নত করে চিন্তা করার ক্ষমতাকেও। শিশুদের খাবারের তালিকায় নিয়মিত কুমড়ার বীজ রাখবেন। এতে তাদের মনে রাখার ক্ষমতা আরও তীক্ষ্ণ হবে।

ডার্ক চকোলেট পছন্দ করেন?

চকোলেটপ্রেমীদের কাছে প্রিয় একটি নাম হলো ডার্ক চকোলেট। এই চকোলেটকে বলা হয় সুপারফুড। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত ডার্ক চকোলেট খেলে তা হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায়। পুষ্টিবিদদের মতে, ডার্ক চকোলেটে আছে অনেকগুলো দ্রবণীয় ফাইবার ও খনিজ। যেমন ওলেইক অ্যাসিড, স্টেরিক অ্যাসিড, প্যালমেটিক অ্যাসিড। ডার্ক চকোলেটে পাওয়া যায় অনেকগুলো জৈব যৌগ, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং রক্ত সঞ্চালন বজায় রাখে। ৬৫ শতাংশ ডার্ক চকোলেট খেলে তা সহজেই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এতে থাকা ফ্ল্যানল রক্তচাপ হ্রাস করে। এটি ক্যান্সারের ঝুঁকিও অনেকটা কমিয়ে আনে।

শেয়ার করুন


সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ১৯৮৬ - ২০২১ মাসিক পাথেয় (রেজিঃ ডি.এ. ৬৭৫) | patheo24.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com