পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : সরকারি কোম্পানি, অবকাঠামো ও পরিষেবা সংস্থার নামকরণে আল্লাহর গুণবাচক নাম ব্যবহার করা যাবে না। সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের বিশেষ অনুমতি ছাড়া কোনো বাদশাহ অথবা যুবরাজের নামও ব্যবহার করা যাবে না। সৌদি সরকার এ মর্মে একটি আইনের খসড়া প্রণয়ন করেছে। খবর সৌদি গেজেট।
খসড়া আইন অনুযায়ী, সরকারি প্রতিষ্ঠানের নামকরণে মসজিদুল হারাম, মসজিদে নববী ও আল-আকসার নাম ব্যবহার করা যাবে না। এ তিনটি পবিত্র অবকাঠামোর পরিচয়বাহী কোনো শব্দও নামকরণে ব্যবহার করা যাবে না।
একইভাবে, ছয়টি ব্যতিক্রম ছাড়া আল্লাহর গুণবাচক ৯৯টি নাম কোনো প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার নামকরণে ব্যবহার করা যাবে না। এক্ষেত্রে কেবলমাত্র আল-হক (সত্য), আল-আদল (ন্যায়বিচার) আল-সালাম (শান্তি), আল-আউয়াল (প্রথম), আল-নুর (জ্যোতি) ও আল-মালিক (নৃপতি) ব্যতিক্রম হিসেবে বিবেচিত হবে। ইসলামী শরীয়াহর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এমন কোনো শব্দ নামকেরণে ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
সৌদি আরবের পৌরসভা, পল্লী ও গৃহায়ন বিষয়ক মন্ত্রণালয় সরকারি প্রতিষ্ঠানের নামের মান ও বিধি শিরোনামের আইনটির খসড়া প্রণয়ন করেছে। খসড়া আইনের ২৩টি ধারায় সরকারি সেবা ও প্রতিষ্ঠানের নামের সাধারণ ও বিশেষ বিধানগুলো তুলে ধরা হয়েছে।
খসড়া আইনে চার খলিফা, বেহেশতের আশ্বাসপ্রাপ্ত ১০ সাহাবী ও উম্মুল মুমিনীনদের নামে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনার নামরকণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে, প্রথম ও দ্বিতীয় সৌদি রাষ্ট্রের ইমাম, শাহজাদা, বাদশাহ ও যুবরাজদের নাম ব্যবহার করা যাবে। আধুনিক সৌদি রাষ্ট্রের প্রথম বাদশাহ আবদুল আজিজের যেসব পুত্রসন্তান শাসনক্ষমতা পাননি তাদের নাম ব্যবহার করা যাবে। সে সময় বিভিন্ন প্রদেশের আমীর ও রাজসভার কর্মকর্তাদের নামও ব্যবহার করা যাবে।
এছাড়া সৌদি আরবের বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্রগুলোর শাসক ও প্রেসিডেন্টদের নাম, আলেম ও ফিকহ বিষারদদের নাম, দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় শাহাদাত বরণকারীর নাম, মহানবী (স.) যেসব যুদ্ধে জয়লাভ করেছেন, সেসব নামও ব্যবহারের বিধান রাখা হয়েছে।


