পাথেয় রিপোর্ট : কিশোরগঞ্জ-ভৈরব মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৩ যুবক মারা গেছে বলে জানা যায়। ১৬ ডিসেম্বর রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সদর উপজেলার রশিদাবাদ মধ্যপাড়ার বেইলি ব্রিজ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার প্যারাভাঙ্গা গ্রামের হেলাল উদ্দিনের ছেলে সৈকত, পাঠানকান্দি গ্রামের আবু বাক্কার মিয়ার ছেলে মিলন ও ঝাটাশিরা গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে শুভ। তারা সবাই মোটরসাইকেলের আরোহী ছিল। তাদের মধ্য একজন এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানা যায়, একই মোটরসাইকেলে করে সৈকত, মিলন ও শুভ কিশোরগঞ্জ থেকে ভৈরবের দিকে যাচ্ছিল। পথে রশিদাবাদ মধ্যপাড়া বেইলি ব্রিজ এলাকায় ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জগামী অনন্যা সুপার ক্লাসিক পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
কিশোরগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, দুর্ঘটনায় সৈকত ও মিলন ঘটনাস্থলেই মারা যায়। আর আশঙ্কাজনক অবস্থায় শুভকে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর সেখানে তার মৃত্যু হয়েছে বলে তিনি জানান।
এদিকে সিরাজগঞ্জে এক রাতে মাত্র ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের ৫ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে পৃথক তিনটি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় ১ ব্যক্তি নিহিত ও অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
সিরাজগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক (ডিএডি) মোঃ আব্দুল হামিদ জানান, ভোর ৬টার দিকে উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকা গামী হানিফ পরিবহনের একটি বাস সায়দাবাদ এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংর্ঘষ হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে অন্তত ১২ জন বাস যাত্রীকে আহতবস্থায় উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে র্ভতি করে।
এর আগে রাত পৌনে ২টার দিকে একই মহাসড়করে ১ কিলোমিটার দূরে মুলিবাড়ী এলাকায় বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তি নিহিত হন। আহত অবস্থায় বাসটির ৪ যাত্রীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে র্ভতি করা হয়।
অপরদকিে রাত ১টার দিকে ওই মহাসড়কেই কামারখন্দ উপজেলার ঝাঐল ওভার ব্রিজে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চার যাত্রী আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।


