২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ১৭ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

হজ ও ওমরায় জড়িতদের জন্য সৌদি বাদশাহর সহায়তা

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী বাষির্ক হজ ও ওমরাহর কাজে জড়িতদের আর্থিক সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদ। বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) কারণে বার্ষিক হজ ও ওমরাহর কাজে জড়িত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের আর্থিক সহায়তা দিতে প্রণোদনা ঘোষণা করেন খাদেমুল হারামাইন বাদশাহ সালমান।

সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) তথ্য মতে, রাজকীয় ফরমানের মাধ্যমে ৬টি সুনির্দিষ্ট খাতে এ সুবিধা দেবে সৌদি সরকার। বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী যারা বার্ষিক হজ ও ওমরাহ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত তারা এ সুবিধা পাবেন। সুবিধাগুলো হলো-

১. মক্কা এবং মদিনায় আবাসন সুবিধাগুলো সরবরাহকারী ব্যবসায়ীরা এক বছরের জন্য পৌরসভার বার্ষিক লাইসেন্স ফি থেকে অব্যাহতি পাবেন।

২. হজ ও ওমরাহর কাজে জড়িত সংস্থাগুলোর বিদেশিরা ৬ মাসের জন্য তাদের ফি প্রদানের ক্ষেত্রে ছাড় পাবে।

৩. পর্যটন মন্ত্রণালয় এক বছরের জন্য বিনা খরচে মক্কা-মদিনার আবাসন লাইসেন্স নবায়ন করার সুযোগ পাবে। তবে এ সুবিধা আরও বাড়ানো হতে পারে।

৪. হজ ও ওমরাহ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত প্রবাসীরা তাদের আবাসিক অনুমোদন (আকামার) নবায়ন ফি প্রদানে ৬ মাসের সুযোগ পাবে। এ নবায়ন ফি ১২ মাসের কিস্তিতে দেয়ারও সুযোগ পাবে।

৫. হাজিদের যাতায়াতের জন্য যেসব প্রতিষ্ঠান বিনামূল্যে বাস (পরিবহন) সরবরাহ ও পরিচালনা করেন, তাদের এক বছরের লাইনেন্স নবায়ন (ইস্তেমারা) ফি এবং নতুন বাসের জন্যও লাইসেন্স ফি প্রদানে তিন মাসের সময় পাবে। নির্ধারিত তারিখ থেকে চার মাসে এ ফি প্রদান করার সুযোগ পাবে।

৬. মহামারি করোনার ভাইরাসের প্রভাব থেকে সহায়তায় সৌদি সরকার সর্বোপরি ১৫০টির বেশি সেবা প্রকল্পে ১৮০ বিলিয়ন সৌদি রিয়াল তথা ৪৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি প্রণোদনা ঘোষণা করেছেন। যার ফলে হজ ও ওমরাহর সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ী ও কর্মীরা করোনার প্রভাব কাটিয়ে ওঠতে সক্ষম হবে।

সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, মহামারি করোনাভাইরাস শুরু হওয়ার পর থকে মক্কা-মদিনায় আগত হজ ও ওমরাহ পালনকারী এবং ইবাদতকারীদের কেউ এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়নি। এমন কোনো খবর এখনও রেকর্ড হয়নি।

আরও পড়ুন: হজে যেতে করোনা টিকা বাধ্যতামূলক

দুই পবিত্র মসজিদ মক্কা ও মদিনার জেনারেল প্রেসিডেন্সি তথা প্রধান ইমাম ও খতিব শায়খ আব্দুর রহমান আস-সুদাইসি বলেন, শুরু থেকেই মহামারি করোনার কারণে যত বেশি স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি হয়েছে, সে সবের আলোকে যথাযথ স্বাস্থ্য নিরাপত্তা গ্রহণ করা হয়েছে। যার ফলে স্বাস্থ্য নিরাপত্তায় শতভাগ সাফল্য এসেছে।

হজ ও ওমরাহ মন্ত্রীর তথ্য মতে, ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মহামারি করোনার প্রাদুর্ভাবের মধ্যেও পবিত্র নগরী মক্কা ও মদিনা বন্ধ থাকা, বিধি-নিষেধের পরও ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে মদিনায় ১ লাখ এবং মক্কায় ৬ লাখ ব্যক্তি ওমরাহ ও ইবাদতে অংশগ্রহণ করেন।

সূত্র: আরব নিউজ

শেয়ার করুন


সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ১৯৮৬ - ২০২১ মাসিক পাথেয় (রেজিঃ ডি.এ. ৬৭৫) | patheo24.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com